শিরোনাম

সর্বশেষ সংবাদ

বেনাপোল এক্সপ্রেসে আগুন, রাজবাড়ীর নিখোঁজ ৩ যাত্রীর মরদেহ শনাক্ত

রাজবাড়ী প্রতিনিধি: ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়েছে ঢাকার গোপীবাগে বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুনের ঘটনায় রাজবাড়ীর নিখোঁজ তিন যাত্রীর মরদেহ।

আজ বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে নিহতদের স্বজন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

চলতি বছরের (৫ জানুয়ারি) শুক্রবার রাতে ঢাকার গোপীবাগে বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে রাজবাড়ীর দুই নারী ও এক যুবক নিখোঁজ ছিলেন। তারা সবাই রাজবাড়ী থেকে ‘চ’ বগিতে ঢাকায় যাচ্ছিলেন।

ডিএনএ টেস্টসহ অন্যান্য সব প্রক্রিয়া সম্পন্নের পর মরদেহ শনাক্ত হওয়ায় আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে তাদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানা গেছে।

নিহত যাত্রীরা হলেন, রাজবাড়ী সদর উপজেলার লক্ষ্মীকোলের সাইদুর রহমান বাবুর মেয়ে এলিনা ইয়াসমিন (৪০), খানগঞ্জ বেলগাছির সরকার বাড়ির চিত্তরঞ্জন প্রামাণিকের মেয়ে চন্দ্রিমা চৌধুরী সৌমি (২৪) ও কালুখালীর মৃগী ইউনিয়নের আবদুল হক মন্ডলের ছেলে আবু তালহা (২৪)।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজবাড়ী রেলস্টেশন থেকে ঢাকায় যাওয়ার জন্য বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে ওঠেন এলিনা, রত্না, ইকবাল বাহার ও তাদের সন্তান এবং সৌমি, তালহাসহ বেশ কিছু যাত্রী। কমলাপুর স্টেশনে পৌঁছানোর আগে রাজধানীর গোপীবাগে বেনাপোল এক্সপ্রেসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।

আগুনে ট্রেনটির চারটি বগি পুড়ে যায়। সেই সঙ্গে ঘটনাস্থলেই মারা যান ৪ জন এবং এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন রাজবাড়ী সদর উপজেলার লক্ষ্মীকোলের এলিনা ইয়াসমিন।

বাবা সাঈদুর রহমান বাবুর কুলখানি শেষে ৬ মাসের শিশুসন্তান, বোন ডেইজি আক্তার রত্না, বোনজামাই ইকবাল বাহার ও তাদের দুই সন্তানসহ বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনের ‘চ’ বগিতে ঢাকায় যাচ্ছিলেন তারা। আগুনে এলিনার সঙ্গে থাকা স্বজনদের সবাই দগ্ধ হয়ে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নেন।

অন্যদিকে একইদিন ওই ট্রেনে ভাই-ভাবির বাসায় বেড়াতে রাজবাড়ী থেকে ঢাকায় যাচ্ছিলেন রাজবাড়ী খানগঞ্জ বেলগাছি সরকার বাড়ির চন্দ্রিমা চৌধুরী ওরফে সৌমি। এ ঘটনার পর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। সৌমি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মাসি বিভাগে পড়ালেখা করতেন।

একই ট্রেনে রাজবাড়ী থেকে আবু তালহা ও আবু তাসলাম দুই ভাই ঢাকায় যাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনার পর আবু তাসলাম ট্রেন থেকে নেমে যেতে পারলেও নিখোঁজ হন ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু তালহা। ট্রেনের জানালায় হাত বের করে আকুতি জানিয়ে পুড়ে মারা যাওয়া ছেলেটাই ছিলেন আবু তালহা।

নিহত এলিনার মামাতো ভাই বলেন, ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে তার বোনের মরদেহ শনাক্ত করা হয়েছে এবং আজ ঢাকা মেডিকেল থেকে মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করবে।

আরও পড়ুুুুন :

রাজবাড়ী সদরের খানগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শরিফুর রহমান সোহান নিখোঁজ সৌমি ও কালুখালী মৃগী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এমএ মতিন আবু তালহার মরদেহ হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

৫ জানুয়ারি যশোর থেকে ছেড়ে আসা বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনটি সন্ধ্যা ৬টা ৩৩ মিনিটে রাজবাড়ী রেলওয়ে স্টেশন থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ট্রেনটিতে রাজবাড়ী থেকে ৬৫ জনের মতো যাত্রী উঠেছিলেন।

google-news-channel-newsasia24

Follow

পশুর খাদ্য ময়দার সঙ্গে মিশিয়ে খাচ্ছে গাজার বাসিন্দারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গাজার উত্তরের বাসিন্দারা দিনের পর দিন শিশুদের অনাহারে রাখতে বাধ্য হচ্ছে। কারণ ত্রাণবাহী গাড়িগুলোকে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না ইসরায়েলি সেনারা। কিছু বাসিন্দা বেঁচে থাকার জন্য পশুর খাদ্যকে ময়দার সঙ্গে মিশিয়ে নিচ্ছে। কিন্তু এমনকি সেই শস্যের মজুদও এখন কমে যাচ্ছে বলে তারা জানিয়েছেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, পানির সংকট তীব্র মাত্রায় দেখা দিয়েছে। অনেকে পানির পাইপ খুঁজতে মাটি খনন করছে।

জাতিসংঘ সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, গাজার উত্তরে ছোট শিশুদের মধ্যে তীব্র অপুষ্টি ব্যাপক মাত্রায় বেড়েছে। এই হার ১৫ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে।

জাতিসংঘের ত্রাণ সমন্বয় সংস্থা ওচা জানিয়েছে, গত মাসে গাজার উত্তরে অর্ধেকেরও বেশি ত্রাণ মিশনকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। কীভাবে এবং কোথায় ত্রাণ বিতরণ করা হবে সে ব্যাপারে ইসরায়েলি বাহিনীর হস্তক্ষেপ বাড়ছে। উত্তরাঞ্চলে বসবাসকারী প্রায় তিন লাখ মানুষ মূলত সহায়তা থেকে বিচ্ছিন্ন এবং দুর্ভিক্ষের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির মুখোমুখি।

আরও পড়ুন:

স্থানীয় চিকিৎসা সহায়তা কর্মী মাহমুদ শালাবি জানান, মানুষ পশু খাদ্যের জন্য ব্যবহৃত শস্য পিষে ময়দা তৈরি করছে। কিন্তু তাও এখন ফুরিয়ে আসছে।

তিনি বলেন, ‘মানুষ বাজারে এটি খুঁজে পাচ্ছে না। এটি আজকাল গাজার উত্তরে এবং গাজা সিটিতে পাওয়া যাচ্ছে না।’

google-news-channel-newsasia24

Follow

Ginseng Benefits and Side Effects

NewsAsia24 Desk:  Ginseng Benefits and Side Effects

Benefits of Ginseng:

Ginseng, a perennial plant with fleshy roots belonging to the Panax genus, has been a staple in traditional medicine for centuries. While there are several types of ginseng, the two most common are Panax ginseng (Asian or Korean ginseng) and Panax quinquefolius (American ginseng). Here are some potential benefits associated with ginseng:

Boosts Energy and Stamina: Ginseng is renowned for its ability to enhance physical and mental stamina. It is believed to reduce fatigue and improve overall energy levels, making it a popular choice for individuals seeking increased vitality.

Cognitive Function: Some studies suggest that ginseng may have cognitive benefits, such as improved memory, focus, and mental clarity. It is thought to enhance brain function by promoting better blood flow and reducing oxidative stress.

Adaptogenic Properties: Ginseng is classified as an adaptogen, meaning it may help the body adapt to stress and restore balance. This adaptogenic quality is believed to contribute to its ability to support the immune system and improve the body’s resilience.

Antioxidant Effects: Ginsenosides, the active compounds in ginseng, have antioxidant properties. It is combat oxidative , which is connect to various chronic diseases.

Anti-Inflammatory Properties: Some studies indicate that ginseng may have anti-inflammatory effects, potentially helping to reduce inflammation in the body. Chronic inflammation is associated with body. Such as various types of health issues with including heart disease and certain cancers.

Read More: 

Ginseng-Exploring-its-Benefits-and-Side-Effects-newsasia24 2

Side Effects and Cautions:

While ginseng offers numerous potential benefits, it’s important to be aware of possible side effects and considerations:

Insomnia and Restlessness: High doses or prolonged use of ginseng may contribute to insomnia and restlessness in some individuals. It is advisable to monitor your response to ginseng and adjust the dosage accordingly.

Blood Pressure Concerns: Ginseng may affect blood pressure. Individuals with hypertension or those taking medications for blood pressure regulation should consult their healthcare provider before using ginseng.

Interactions with Medications: Ginseng may interact with certain medications, including blood thinners and diabetes medications. It is very crucial to inform your healthcare to provider about any supplements. So that you are taking to avoid potential interactions.

Allergic Reactions: Some people occurs allergic problem. If Some people may fall in allergic reactions for use ginseng, it should take information from doctor. Some symptoms like rash, itching, or difficulty breathing. If anyone like of this reactions occur, discontinue use ginseng. If seek, go to medical attention.

Hormonal Effects: Ginseng may influence hormonal levels, particularly estrogen. Individuals with hormone-sensitive conditions, such as breast cancer, should exercise caution and consult with their healthcare provider.

In conclusion, while ginseng has been traditionally valued for its potential health benefits, it’s essential to approach its use with caution.

Consulting with a healthcare professional before incorporating ginseng into your routine is advisable, especially if you have pre-existing health conditions or are taking medications.

As with any supplement, moderation and informed decision-making are key to maximizing benefits while minimizing potential risks.

Read More: 

google-news-follow-us-newsasia24

কুষ্টিয়ায় স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন

শাহীন আলম লিটন, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ার মিরপুরের শাকদহ এলাকার আলামিন(৪২) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আলামিনের স্ত্রী শিউলী খাতুনকে (২৮) হত্যার দায়ে তার স্বামী আলামিনকে এ সাজা দেয়া হয়।

আজ সোমবার (১৫ জানুয়ারী) কুষ্টিয়ার বিশেষ জজ (জেলা ও দায়রা জজ) আদালতের বিচারক মো. আশরাফুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আলামিন কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার শাকদহচর গ্রামের আহাদ আলীর ছেলে।

রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর পরই দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদেরকে পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

এ মামলার অপর আসামি ও আলামিনের প্রথম স্ত্রী জানেরা খাতুনের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, প্রায় ১০ বছর পূর্বে শিউলি খাতুনকে বিয়ে করেন আসামি আলামিন। তাদের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে স্ত্রীকে নিয়ে মিরপুর উপজেলার হালসা গ্রামের হালসা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনিস্টিক সেন্টারের (বর্তমান হালসা বাজার জয় চিকিৎসালয়) দ্বিতীয় তলায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করতেন।

পারিবারিক কলহের জেরে ২০২২ সালের ২৯ অক্টোবর রাতে স্ত্রী শিউলি খাতুনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে আলামিন। পরে আশপাশের লোকজন টের পায়।

খোঁজ পেয়ে মিরপুর থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। নিহতের বাবা আসাদুল বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে মামলার তদন্ত শেষে আসামি আলামিনের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। এরপর আদালত এ মামলায় সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।

সাক্ষীদের সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আদালত এ রায় দেন। আদালতের পিপি অনুপ কুমার নন্দী বলেন, স্ত্রীকে হত্যা মামলায় দোষী প্রমাণিত হওয়ায় স্বামী আলামিনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

ফজরে ঘুম থেকে উঠতে পারছেন না? জেনে নিন ৭ টি কৌশল !

নিউজ এশিয়া২৪ ডেস্ক: মুসলিমদের জন্য ঈমান আনার পরেই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের প্রতি সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আর জামাতে নামাজ পড়া সুন্নতে মুয়াক্কাদা।

কেউ কেউ এটাকে ওয়াজিবও বলেছেন। হাদিস শরিফে জামাতের প্রতি বিশেষভাবে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে ।

এক হাদিসে এসেছে, ‘জামাতের নামাজ একাকি নামাজের চেয়ে ২৭ গুণ বেশি মর্যাদা রাখে। ’ (বুখারি, হাদিস : ৬৪৫; মুসলিম, হাদিস : ৬৫০)

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে মধ্যে এশা ও ফজরের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। এ দুই সময়ে মানুষ সাধারণত পরিবারের সঙ্গে সময় কাটায় ও বিশ্রাম করে।

ফলে জামাতদুটিতে যথেষ্ট অবহেলা ও গাফিলতি হয়ে থাকে। এজন্য হাদিসে এর প্রতি বিশেষভাবে উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করা হয়েছে। উবাই ইবনে কাব (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘একবার মহানবী (সা.) আমাদের ফজরের নামাজ পড়িয়েছেন। সালাম ফিরিয়ে জিজ্ঞেস করেছেন, অমুক কি আছে? লোকেরা বলল, নেই।

তিনি বললেন, এ দুই নামাজ (এশা ও ফজর) মুনাফিকদের জন্য সবচেয়ে কঠিন। তোমরা যদি জানতে যে এই দুই নামাজে কী পরিমাণ সওয়াব নিহিত রয়েছে, তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তাতে আসতে। ’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৫৫৪)

সুন্নত নামাজের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ফজরের দুই রাকাত সুন্নত। হাদিসে এর প্রভূত ফজিলত বর্ণিত হয়েছে, যা অন্য সুন্নতের ক্ষেত্রে হয়নি। এক হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘ফজরের দুই রাকাত (সুন্নত) দুনিয়া ও দুনিয়ার মধ্যে যা কিছু আছে তার চেয়ে উত্তম। ’ (মুসলিম, হাদিস : ৭২৫)

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘শত্রুবাহিনী তোমাদের তাড়া করলেও তোমরা এই দুই রাকাত কখনো ত্যাগ করো না। ’ (আবু দাউদ, হাদিস : ১২৫৮)

আরও পড়ুন>> জুমআর দিনের ফজিলতপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ আমলগুলো জেনে নিন

ফজরের সময় জাগ্রত হওয়ার কিছু কৌশল তুলে ধরার হলো,

আল্লাহকে চেনা: আ্লাহতে চিনতে ও জানতে হবে। আল্লাহর বড়ত্ব ও মহত্ব সম্পর্কে জানতে হবে। আপনি যদি জানেন যে অঅপনি কার ইবাদত করছেন? তাহলে ফজরে ঘুম থেকে উঠবেনই।

আন্তরিকতার সাথে প্রতিজ্ঞা: ফজরের নামাজের জন্য জেগে উঠার ব্যাপারে আন্তরিকার সাথে প্রতিজ্ঞা করতে হবে। য্ভোবেই হোক আমি জেগে উঠবোই। এমন ভাবে প্রতিজ্ঞা করতে হবে। তবে এটা ভাবা যাবে না যে, যদি উঠতে পারি তাহলে উঠবো, বরং এভাবে ভাবুন যে, আমি ফজরের সময় জেগে উঠবোই, ইনশাল্লাহ।

ওজু করা: ঘুমাতে যাওয়ার আগে ওজু করার অনেক ফজিলত রয়েছে। পাক-পবিত্র হয়ে ঘুমালে অনেক অনিষ্ট থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। ফেরেস্তারা আপনার কাছে আসতে পারবে। এছাড়াও মহানবী (সা.) ঘুমাতে যাওয়ার আগে ওজু করার ব্যাপারে তাগিদ দিয়েছেন। মহানবী (সা.) বলেছেন, যখন তুমি বিছানায় যাবে তখন ওজু করবে। ’ (মুসলিম, হাদিস : ৪৮৮৪)

বিতরের নামাজের পর দোয়া: শেষ রাতে উঠার অভ্যাস না থাকলে বিতরের নামাজ আদায় না করে ঘুমাবেন না। আর বিতরের নামাজ আদায়ের সময় আল্লাহর কাছে অনুনয়-বিনয় করুন, যাতে তিনি আপনাকে ঘুম থেকে জেগে উঠতে সাহায্য করেন।

আরও পড়ুন> মসজিদের ইমাম-খতিবদের সম্মানী তিনগুন বাড়ানোর আশ্বাস

কোরআন পাঠ করা: ঘমাতেযোওয়ার কোরঅন পাঠ করার অনেক সওয়াব রয়েছে। আল-কোরআন টাঠের মাধ্যমেই মাধ্যমে দিনের সমাপ্তি অবশ্যই আপনাকে ফজরের নামাজের জন্য জেগে উঠার দিকে নিবদ্ধ করবে। ঘমাতে যাওয়ার আগে সুরা সাজদাহ ও সুরা মূলক পড়ে ঘুমাবেন। মহানবী (সা.) এ ব্যাপারে বলেছেন, ঘমাতে যাাওয়ার আগে এ দুটি সুরা পড়ে ঘুমানোর অনেক ফজিলত রয়েছে।

ফজর নামাজের ফজিলত পুরস্কার: মুনাফেকীর হাত থেকে বেচে যাবেন, কিয়ামতের মাঠে আল্লাহর সামনে আলোকিত হয়ে দাঁড়ানো, সারাাদিন আল্লাহর হেফাজতে থাকা, অলসতা কেটে যাওয়া ইত্যাদি পুরস্কারের কথা স্মরন করুন। এটা আপনাকে ফজরে উঠতে সাহায্য করবে।

google-news-channel-newsasia24

বন্ধু বা পরিবারের সদস্যদের জাগিয়ে দেওয়ার জন্য বলা: পরিবারের অনান্য সদস্য কিংবা বন্ধুদের বলুন আপনাকে জাগিয়ে দিতে। একে অপরকে জাগিয়ে দেয়ার জন্য সাহায্য করুন। যদি আপনি আগে জেগে উঠেন, তাহলে অন্যদেরও জাগিয়ে তুলুন।

আরও পড়ুন:

ইসলামের কিছু প্রশ্ন ও উত্তর… ( পর্ব-২ )

ইসলামের কিছু প্রশ্ন ও উত্তর… ( পর্ব-৩ )

খালিদ জারার গ্রেফতার; ইসরায়েলে আরও অফিসার ও সৈন্যকে হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফিলিস্তিনি নেতা খালিদ জারারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপরদিকে, গাজায় আরও কয়েকজন অফিসার ও সৈন্যকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।

‘‘প্যালেস্টাইন ক্রনিকল’’ এর খবরে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

Khalid-Zara-arrested;-Killing-more-officers-and-soldiers-in-Israel-newsasia24 2
আইকনিক ফিলিস্তিনি নেতা- খালিদা জারার

খবরে বলা হয়, খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালে বোমা হামলা চলোনো হয়েছে এবং হাসপতালের আশেপাশের এলাকায় ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর লক্ষ্য করে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন>> কে এই ‌‌’খালিদা জারার’?

খবরে আরও বলা হয়, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি দখলদার সৈন্যরা ফিলিস্তিনি নেতা ও কর্মী, খালিদা জারারকে রামাল্লায় তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেছে।

আরও পড়ুন: 

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলের চলমান গণহত্যায় ২০,৬৭৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৫৪,৫৩৬ জন। নিহত ও আহতদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

google-news-channel-newsasia24

ইয়েমেনের জন্য সুখবর; ইয়েমেন শান্তি পরিকল্পনা স্বাক্ষর জানুয়ারিতে

জাহিদ হাসান, সৌদি থেকে: জানুয়ারির শুরুতে মক্কায় ইয়েমেনি শান্তি রোডম্যাপে স্বাক্ষর করা হবে। ইয়েমেনের একটি কূটনৈতিক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্রটি জানায়, জাতিসংঘের সাথে সৌদি আরব এবং ওমানের নির্ধারিত তারিখে এই চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। মক্কায় এটি অনুষ্ঠিত আগামী জানুয়ারির শুরুতে হবে।

সূত্রটি আরও জানা গেছে, ইয়েমেনের সমস্ত সরকারি কর্মচারীদের এক বছরের বেতন দেবে সৌদি আরব। সেই সাথে দেশটির অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতির জন্য ইয়েমেনি তেল ও গ্যাস রপ্তানি পুনরায় শুরু করা হবে।

ইয়েমেনের জন্য জাতিসংঘের বিশেষ দূত বলেছেন, ইয়েমেনে যুদ্ধরত পক্ষ উভয়ই যুদ্ধবিরতির দিকে পদক্ষেপ নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আরও পড়ুন: 

হ্যান্স গ্রুন্ডবার্গ তার কার্যালয় থেকে একটি বিবৃতিতে বলেছেন, তিনি “দেশব্যাপী যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন, ইয়েমেনে জীবনযাত্রার উন্নতি এবং জাতিসংঘের অধীনে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু করার পদক্ষেপকে স্বাগত জানান।

google-news-channel-newsasia24

বড়দিন পালনে সতর্ক করেছেন নেদারল্যান্ডসের স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বড়দিন পালনে সতর্ক করেছেন নেদারল্যান্ডসের স্বাস্থ্যমন্ত্রী আর্নস্ট কুইপারস। নেদারল্যান্ডসে করোনভাইরাস উপসর্গ থাকলে বড়দিনের অনুষ্ঠানে যোগ না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমাদের দেশে করোনভাইরাস কণার এত বেশি অনুপাত কখনও ছিল না। কয়েক লাখ মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। আপনার কাছের কোন ব্যাক্তির করোনা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।”

নেদারল্যান্ডসের করোনাভাইরাসের পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, হাসপাতালের নার্সিং ওয়ার্ডে কোভিড রোগীর সংখ্যা ক্রমে্ই বেড়েছে।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে কোভিড রোগীর সংখ্যাও বাড়তে শুরু করেছে।

নেদারল্যান্ডসের স্বাস্থ্যমন্ত্রী আর্নস্ট কুইপারস বলেন, বড়দিনের উৎসবের সময় করোনা বড় একটি ঝুঁকি।

আরও পড়ুন: 

তিনি আরও বলেন, আপনার যদি উপসর্গ থাকে তবে সতর্ক থাকুন এবং ক্রিসমাস ডিনারে যোগ দিতে বিরত থাকুন। আপনার করোনভাইরাস থেকে অন্য লোকেদের সংক্রামিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”

কুইপার্স বলেন, ভাইরাসটির সঙ্গে মৌসুমী সম্পর্ক রয়েছে। “গ্রীষ্মে করোনারসংখ্যা খুব কম ছিল। কিন্তু শীতে সে সংখ্যা আবার বাড়তে পারে।

google-news-channel-newsasia24

ফলো করুন

মোটরসাইকেল চুরি ঠেকানোর উপায় বললেন ‘চোরদের গুরু’

নিউজ এশিয়া২৪ ডেস্ক: ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তালিকায় ‘শীর্ষ’ মোটরসাইকেল চোর আবুল কালাম আজাদ ।

১৩ বছরে প্রায় দুই শতাধিক মোটরসাইকেল চুরি করেছেন। ধরা পড়েছেন অন্তত ৪৫ বার। তাঁর বিরুদ্ধে ৫৩টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।

thife-master-abul-kalam-ajad-newsasia24

চুরি ঠেকাতে চালকের কী ধরনের নিরাপত্তা নেওয়া উচিত, এ বিষয়ে ‘চোরের গুরু’ আবুল কালাম আজাদ তিন ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়ার কথা বললেন।

আবুল কালাম আজাদের প্রথম পরামর্শ হচ্ছে, মোটরসাইকেলে অ্যালার্ম লাগানো যেতে পারে। এতে করে কেউ মোটরসাইকেল স্পর্শ করলেই অ্যালার্ম বেজে উঠবে। কোনো মোটরসাইকেলে অ্যালার্ম বাজলে ধরা পড়ার ভয়ে চোর সেটি চুরি করতে আগ্রহী হয় না।

আরও পড়ুন>>মাগুরায় হঠাৎ কোটিপতি ইন্দ্রজিতের দখলদারিত্বে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

দ্বিতীয়ত, জিপিএস ট্র্যাকার লাগানো যেতে পারে। এর মাধ্যমে খুব সহজে মোটরসাইকেলের অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব।

আর তৃতীয়ত, উন্নত মানের ‘ডিস্ক লক’ ব্যবহার করা হলে সেটি ভাঙতে অনেক সময় লাগে। এ ধরনের তালা লাগানো থাকলে চোর ঝুঁকি নিতে চায় না।

আবুল কালাম আজাদ সর্বশেষ গত মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন। এর আগে গত ৫ অক্টোবর তিনি জামিনে মুক্ত হয়েছিলেন।

সর্বশেষ গ্রেপ্তার হওয়ার পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব তথ্য দিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট ডিবি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন>>যাত্রী বেশে বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা

ডিবি কর্মকর্তারা জানান, আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, অনেকে মোটরসাইকেলের ‘হ্যান্ডল লক’ করে মোটরসাইকেল রেখে চলে যান। এটি মোটেও নিরাপদ নয়।

কারণ, এই লক ভেঙে মোটরসাইকেল চুরি করতে ৩০ থেকে ৬০ সেকেন্ড সময় লাগে। আবার অনেকেই ‘ঢালাই তালা’ ব্যবহার করেন। এই তালা ভেঙে মোটরসাইকেল চুরি করতে দেড় মিনিটের মতো লাগে।

google news newsasia24

যুদ্ধ বিরতির পর আবারও গাজায় হামলা, নিহত: ‍১৭৮

নিউজ এশিয়া২৪ ডেস্ক: যুদ্ধ বিরতির পর ইসরায়েলির হামলায় গাজায় প্রথম দিনে নিহত হয়েছেন মোট ১৭৮ জন ফিলিস্তিনি।

৬দিন যুদ্ধবিরতি শেষে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি স্থল ও বিমান বাহিনী অভিযান শুরুর প্রথম দিনে সেখানে নিহত হয়েছেন মোট ১৭৮ জন ফিলিস্তিনি । উপত্যকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন এএফপি।

israil-filistini-yodh-gap-hamla-die-176-newsasia24

গত দেড় মাসের বেশি সময় ধরে যুদ্ধ চলার পর জিম্মি-বন্দি বিনিময় এবং গাজায় মানবিক ত্রাণ প্রবেশের সুযোগ দিতে ২৫ নভেম্বর সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তি করে হামাস।

সেই বিরতি শেষ হয় শুক্রবার ভোরে উপত্যকায় ইসরায়েলি বিমান ও স্থলবাহিনীর অভিযান শুরুর মধ্যে দিয়ে।শুক্রবার ভোরের দিকে ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর হিলোটের বাসিন্দারা সাইরেনের শব্দে জেগে ওঠেন।

আরও পড়ুন>>পাকিস্তানে ৫১ নারী সন্ত্রাসীর তালিকা প্রকাশ: সিটিডি

আইডিএফ জানায়, গাজা থেকে রকেট ছোড়া হয়েছিল এবং ক্ষেপণাস্ত্র সুরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সেই রকেট আঘাত হানার আগেই তা ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে।

এই ঘটনার পর পরই এক তাৎক্ষণিক বিবৃতিতে গাজায় ফের অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন আইডিএফ।

গাজার হামাস নেতৃত্বাধীন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গাজা উপত্যকার অন্তত ১০০টি স্থানে গোলা বর্ষণ করেছে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী।

আরও পড়ুন>>টুইটারে হোমসের মাথায় গুলি করার ভিডিও ভাইরাল

গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাসের যোদ্ধারা ইসরায়েলের ভূখণ্ডে অতর্কিত হামলা চালানোর পর ওই দিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী। পরে ১৬ অক্টোবর থেকে অভিযানে যোগ দেয় স্থল বাহিনীও।

আরও পড়ুন>>১০০ বছরে মারা গেলেন সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসরায়েলি বাহিনীর টানা দেড় মাসের অভিযানে কার্যত ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে গাজা উপত্যকা, নিহত হয়েছেন ১৫ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি। নিহত এই ফিলিস্তিনিদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা ১০ হাজারেরও বেশি।

google news newsasia24