শিরোনাম

আবহাওয়া

আজ চুয়াডাঙ্গায় ৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

 আজ মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে ।

আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ জানান, আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায় ৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে জা্নিয়েছে, রাজশাহী বিভাগ ও খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কিছু কিছু জায়গায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে অব্যাহত থাকতে পারে এবং কিছু কিছু জায়গা হতে প্রশমিত হতে পারে।

আরও পড়ুন:

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, খুলনা বিভাগের দুই এক জায়গায় হালকা অথবা গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

সেই সঙ্গে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশে আজ মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা দুপুর পর্যন্ত কোথাও কোথাও অব্যাহত থাকতে পারে।

google-news-channel-newsasia24

Follow

যে কারণে রাজশাহীর শীতের তীব্রতা বেশি

রাজশাহী প্রতিনিধি: দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমেছে- এতেই নামছে কনকনে শীত। হাড়কাঁপানো ঠাণ্ডায় মানুষের জীবন জবুথবু অবস্থা। চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় কাঁপছে পুরো রাজশাহী। শীতজনিত নানা জটিলতায় রোগীদের ভিড় বাড়ছে হাসপাতালে।

আজ রবিবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি এ মৌসুমে সর্বনিম্ন ছিল।

শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) রাজশাহীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার ছিল ১৩ দশমিক ৩ ডিগ্রি।

রাজশাহীর আবহাওয়া অফিস থেকে জানান, সর্বোচ্চ আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা খুব কাছাকাছি হওয়ায় শীতের তীব্রতা বেড়েছে।

আরও পড়ুন:

এদিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালসহ উপজেলা সদর হাসপাতাল ও বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকেও ঠাণ্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। রামেক হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে শুক্রবার ২৪ ঘণ্টায় রোগী ভর্তি হয়েছিল ৬২ জন।

শনিবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত রোগী ভর্তি হয়েছে ৭২ জন। রবিবারেও শিশু ওয়ার্ডে রোগীর চাপ বেড়েছে।

রাজশাহী সিভিল সার্জন ডা. আবু সাইদ মোহাম্মদ ফারুক জানান, উপজেলা পর্যায়ে রোগীর সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। তবে ভর্তি রোগীর চেয়ে আউটডোর রোগীর সংখ্যা বেশি। আর পরিস্থিতি খুব খারাপ, এমনটা না। এ সময়টায় রোগী কিছুটা বাড়ে। সেরকমভাবে ব্যবস্থাপনাও করা আছে।

google-news-channel-newsasia24

Follow

রাজশাহীতে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি, ভোগান্তিতে সাধারন মানুষ

লিমা পারভীন: ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’ এর প্রভাবে বাংলাদেশেও বৃষ্টি হচ্ছে। রাজশাহীতে বৃষ্টির কারণে সাধারণ মানুষ অনেক ভোগান্তিতে পড়েছে ।

বুধবার (৬ ডিসেম্বর) থেকেই রাজশাহীতে হালকা বৃষ্টি হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকালে ঘুম ভেঙেছে রাজশাহীবাসীর বৃষ্টির শব্দে।

গত দুদিন ধরে রাজশাহীর আকাশ ছিল মেঘে ঢাকা। ছিল হালকা বৃষ্টিও।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে বৃষ্টি অনেকটাই কমে যায়। তবে এখনও হালকা বৃষ্টি হচ্ছে।

রাজশাহীর হড়গ্রাম কাঁচাবাজারের অবস্থা খুব শোচনীয়। বাজারে সবজি নেই বললেই চলে। ক্রেতা বিক্রেতা খুবই কম। বাজারে মিলছে না ভালো কোন সবজি, মিলছে না ভালো মাছ। রাস্তাঘাটে যানবাহনও অনেক কম ।

rajshahi-rain-vegetible-market-newsasia24
বৃষ্টির কারনে ক্রেতার সংখ্যা খুবই কম। ছবি: নিউজ এশিয়া২৪

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এসময়ে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য এবং দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।

rajshahi-rain-open-road-newsasia24
ছবি: নিউজ এশিয়া২৪

google news newsasia24

শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) থেকেই বৃষ্টির প্রবণতা কমে যেতে পারে। বৃষ্টির প্রবণতা কমে গেলে রাতের তাপমাত্রা কমে শীত জেঁকে বসতে পারে বলেও জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

আরও পড়ুন: 

রাজশাহীতে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি; চিন্তিত কৃষকরা

ফাহিম শাওন: রাজশাহীর বিভিন্ন অঞ্চলে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিপাতের খবর পাওয়া গেছে।

আজ মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে রাজশাহী। দুপুর হয়ে গেলেও সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। তবে বৃষ্টি নিয়ে চিন্তিত রয়েছেন কৃষকরা।

স্থানীয় এক কৃষক জানান, তাদের এখন ধান কাটার মৌসুম। ধানের গাদা করে রেখেছেন বাড়ির উঠানে। সেগুলো ভিজে গেলে পঁচে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।ফলে আগুনে পোঁড়াতে বা বিক্রি করতে পারবে না।

অন্যদিকে যথেষ্ট রোদ না থাকায় সেগুলো শুকাতেও পারবে না। ফলে ভিজে গেলে নানা সমস্যায় পড়তে হবে তাদের।

আরও পড়ুন>>ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’ এর প্রভাবে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি

রাজশাহীর মেডিকেল অফিসার বায়োজিদ উল ইসলাম জানান, এই বৃষ্টি সাধারণত আবহাওয়া পরিবর্তনের কারনে হয়ে থাকে। এই বৃষ্টিতে ভিজলে ঠান্ডা ও জ্বরের সাথে কাঁশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এমনকি মাথা ব্যাথাও হতে পারে।

যাদের নিউমোনিয়া রয়েছে তাদের জন্য এই ধরনের বৃষ্টি খুবই মারাত্মক।

অন্যদিকে শিশুদের জন্য জন্য এই বৃষ্টি খুবই বিপদজনক।ফলে, সবাইকেই এই বৃষ্টি থেকে নিরাপদ থাকতে হবে।

এছাড়াও শুধু বৃষ্টি নয়, আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারনে নানা রোগ হতে পারে।  google news newsasia24

উল্লেখ্য, সমুদ্র অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় ও বৈরী আবহাওয়ার প্রভাবে সারা দেশে বৃষ্টির পুর্ভাবাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম এ প্রভাবে ৫ ও ৬ ডিসেম্বর দেশের উপকূলীয় এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে। এতে তাপমাত্রা কমে আসবে। শীতের আমেজও পাওয়া যাবে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ইতোমধ্যে প্রবল ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়েছে তামিলনাড়ুর চেন্নাইসহ উপকূলবর্তী সাত জেলায়। বন্ধ রাখা হয়েছে চেন্নাই বিমানবন্দর।

আরও পড়ুন: