শিরোনাম

অপরাধ

বাসার সামনে জুতা রাখাকে কেন্দ্র করে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন!

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাসার সামনে জুতা রাখাকে কেন্দ্র করে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন হয়েছে। এঘটনায় বড় ভাই দিলীপ ঘোষ ও তার স্ত্রী রিনা ঘোষকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

নিহত ছোট ভাইয়ের নাম মিঠুন কুমার ঘোষ। ঘটানাটি ঘটেছে ১৫ নভেম্বর রাতে রাজধানীর গেন্ডারিয়ায়।

রবিবার (১৯ নভেম্বর) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন গেন্ডারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবু সাঈদ আল মামুন।

ওসি জানান, ১৫ নভেম্বর রাত ৯টার দিকে বাসার রুমের সামনে জুতা রাখাকে কেন্দ্র করে দিলীপ ঘোষ ছোট ভাইয়ের স্ত্রী রেখা রানী দাসকে গালিগালাজ করেন। এসময় এর প্রতিবাদ করেন রেখার স্বামী মিঠুন কুমার। ফলে ক্ষিপ্ত হয়ে মিঠুনকে কিল–ঘুষি ও বুকে লাথি মেরে রুমের সামনে ফেলে দেন দিলীপ ও তার স্ত্রী রিনা।

একপর্যায়ে দিলীপ তার ভাই মিঠুনকে খাটের পায়া দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। এতে অজ্ঞান হয়ে যান মিঠুন।

তাৎক্ষণিকভাবে অন্যদের সহায়তায় মিঠুনকে ঢাকা ন্যাশনাল হাসপাতালে নিয়ে যান তার স্ত্রী রেখা রানী। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মিঠুনকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে গেন্ডারিয়া থানায় মামলা করেন।

আরও পড়ুন: small-brother-murder-by-big-brother-genderia-newsasia24small-brother-murder-by-big-brother-genderia-newsasia24

ওসি বলেন, ঘটনার দিন গেন্ডারিয়া থেকে দিলীপের স্ত্রী রিনাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তিনি ঘটনার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এরপর ১৮ নভেম্বর টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থেকে গ্রেফতার করা হয় দিলীপ ঘোষকে।

google-news-follow-us-newsasia24
গুগোল নিউজ ফলো করতে ক্লিক করুন

খোকসায় দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ১

নাজমুল হাসান: কুষ্টিয়ার খোকসায় দেশীয় অস্ত্র ও গুলিসহ একজনকে আটক করেছে থানা পুলিশ । শনিবার রাত ১০ টার দিকে ওসমানপুর পশ্চিমপাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

আজ রবিবার (১২ নভেম্বর) আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আটক ব্যক্তি ওসমানপুর ইউনিয়ন এর দেবিনগর গ্রামের হায়দার মেম্বারের ছেলে মো. ইদ্রিস (৩০)।

জানা যায়, আগ্নেয় অস্ত্র সহ মারামারির উদ্দেশ্যে কিছু লোক সংঘবদ্ধ হবার সংবাদ পেয়ে খোকসা থানার ওসি মোস্তফা হাবিবুল্লাহ, এএসআই সোহেল রানা, এএসআই মো. মুশফিকুজ্জামান সঙ্গীয় ফোর্স সহ ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এসময় সবাই পালিয়ে গেলেও পুলিশ একজনকে আটক করতে সক্ষম হয়। আটক ব্যক্তির দেহ তল্লাশি করে একটি দেশীয় তৈরি রিভলবার ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

khoksa-arrest-newsasia24 2

আরও পড়ুন: 

ওসি মোস্তফা হাবিবুল্লাহ নিউজ এশিয়া২৪ কে জানান, শনিবার রাতে ওসমানপুর থেকে অস্ত্রসহ একাধিক মামলার আসামি ইদ্রিসকে আটক করা হয়েছে। রবিবার আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে সোপর্দ করা হয়েছে।

আরও পড়তে পারেন:>>

অবরোধের শুরুতেই কাভার্ডভ্যানে আগুন!

নিজস্ব প্রতিবেদক: অবরোধের শুরুতেই কাভার্ডভ্যানে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিএনপি জামায়াতের ডাকা ৪৮ ঘন্টা অবরোধের আজ প্রধম দিন।

আগন লাগার ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (৮ নভেম্বর) গাজিপুরের ঢাকা বাইপাস সড়কে নাগরীর গলান এলাকায়।

জানা গেছে, ফ্রেশ কোম্পানির একটি পণ্য পরিবহন করে ঢাকা বাইপাস সড়ক হয়ে গাজীপুরের দিকে যাচ্ছিল। ভোর ৫টার দিকে গলান এলাকায় পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা  গাড়িটিতে আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায়।

gazipur-cavard-van-fire-newsasia24

আরও পড়ুন: 

পরে, খবর পেয়ে কালীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণ করে । এ ঘটনায় কাভার্ডভ্যানে থাকা মিস্ত্রী এবং চালকের সহকারী গুরুতর আহত হয়েছেন।

রাজধানীতে চলন্ত বাসে আগুন!

নিউজ এশিয়া২৪ ডেস্ক: রাজধানীতে চলন্ত বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। রাজধানী গুলিস্তানের ষ্টেডিয়াম পাতাল মার্কেটের সামনে এ ঘটনাটি ঘটে।

পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটের চেষ্টার আগুন নিয়ন্ত্রণে আাসে।

ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার তালহা বিন জসিম জানন, শনিবার রাত ১০ টার দিকে আগুল লাগার খবর আমারা জানতে পারি। পরিবহনটির নাম মঞ্জিল পরিবহন।

gulistan-bus-fire-newsasia24

আরও পড়ুন: 

এছাড়াও জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় নিউমার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় তিনটি বাসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। তবে উপরোক্ত কোন ঘটনায়ই হতাহতের খবর পাওয়া যায় নি।

বোনের বাড়িতে ভাইয়ের মৃত্যু

নিউজ এশিয়া২৪ ডেস্ক: চাচাতো বোনের শ্বশুরবাড়িতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

আজ ( ১৮ অক্টোবর) সকালে কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে চাচাতো বোনের শ্বশুরবাড়ির উঠান থেকে স্বপন আলী (২৭) নামে এক যুবকের হাত-পা ভাঙা রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

কুমারখালীর জালাল মোড় এলাকার আসাদের বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

kumarkhali-thana-newsasia24

নিহত স্বপন আলী চুয়াডাঙ্গার দর্শনা উপজেলার আব্দুর রশিদের ছেলে।

তিনি একজন গাড়িচালক ছিলেন।

নিহত স্বজনদের অভিযোগ, স্বপনকে তার চাচাতো বোনের শ্বশুরবাড়ির লোকজন হত্যা করে উঠানে মরদেহ ফেলে পালিয়ে গেছে।

আরও পড়ুন:

হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন তারা।

এ বিষয়ে কুমারখালী থানার (ওসি) মো. আকিবুল ইসলাম বলেন, ধারণা করা হচ্ছে চাচাতো বোনের সঙ্গে পরকীয়া প্রেমের জেরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

আসাদের বাড়ির উঠান থেকে স্মবপনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহত স্বপনের মাথার চুলকাটা ও শরীরের একাধিক স্থানে আঘাতের চিহ্ন ও রক্ত রয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রী ও দুই ছেলেকে হত্যা

নিউজ এশিয়া২৪ ডেস্ক: কোন কারন ছাড়াই প্রবাসীর স্ত্রী ও দুই ছেলেকে হত্যা করেন ভাগনি জামাই।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রী ও দুই ছেলেকে গলা কেটে হত্যা করেন ভাগনি জামাই ।

নিহত জেকি আক্তারের ভাগনি জামাই জহিরুল ইসলাম পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যা করেন।

বুধবার (১৮ অক্টোবর) জহিরুল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (বাঞ্ছারামপুর) আদালতের বিচারক সাগত সৌম্যের কাছে হত্যার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

আজ বিকেলে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) সোনাহর আলী শরিফ।

jeki-murder.jpg October 18, 2023 41 KB 800 by 400 pixels

পুলিশ সুপার সিরাজুল ইসলাম জানান, নিহত জেকি আক্তারের বড় বোন শিল্পী বেগমের মেয়ে আনিকার সঙ্গে বিয়ে হয় আসামি জহিরুলের।

তবে বিয়ের কিছু দিন পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক ঝামেলা চলছিল।

এতে অনামিকাবার বার তার বাবার বাড়িতে চলে যেতেন।

কিছু দিন আগেও শ্বশুরবাড়ি থেকে চলে আসেন অনামিকা।

অনামিকাকে ফিরিয়ে নিতে ও কলহ মীমাংসার জন্য গত মঙ্গলবার সকালে জহিরুল তার খালা শাশুড়ি জেকি আক্তারের বাড়িতে যান।

কারণ জেকি আক্তারের কথা জহিরুলের শাশুড়ি ও স্ত্রী গুরুত্ব দেয়।

ওইদিন প্রথমে সকালে গিয়ে জেকির সঙ্গে কথা বলে নাস্তা করে চলে যান জহিরুল। পরে আবার রাত ৮টার দিকে জেকির বাড়িতে যান।

তখন পারিবারিক কলহের বিষয়টি নিয়ে কথা বললে একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ঝামেলার সৃস্টি হয়।

সেসময় জহিরুলের রাগ মাথায় উঠে যায়, তখন সে ঘরে থাকা দা দিয়ে জেকি আক্তারকে কুপিয়ে হত্যা করেন ।

এ সময় মায়ের চিৎকার শুনে বড় ছেলে মাহিন ছুটে আসলে তাকেও একটি কোপ দেয়।

তখন সে প্রাণে বাঁচার জন্য দৌড়ে ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করতে গেলে তাকেও কুপিয়ে হত্যা করেন।

অন্য ঘরে ঘুমন্ত অবস্থায় ছিল ৬ বছর বয়সী মহিন ও ৭ মাসের ওজিহা।

তখন ঘুম থেকে উঠে পড়ে মহিন। দেখে ফেলে হত্যার ঘটনা। পরে ঘরের দরজা বন্ধ করে ভয়ে পায়চারি করে মহিন।

সে সময় দরজা খুলতে দেখে ভয়ে বাথরুমে গিয়ে লোকায় মহিন। সেখানে গিয়ে তাকেও কুপিয়ে হত্যা করেন জহিরুল।

তারপর আধাঘণ্টার মত সেই ঘরে পায়চারি করেন। পরে রাত ১টার দিকে পালিয়ে যান জহিরুল।

আরও পড়ুন:

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার সিরাজুল ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর সকাল থেকে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশের বিশেষ শাখা কাজ করেছে।

এর আগে প্রাথমিক অবস্থায় তিনজনকে জবাবদিহিতার জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

পরে আলামত, সুনির্দিষ্ট সোর্স ও তথ্যপ্রযুক্তির সহযোগিতা নিয়ে জানতে পারি জহিরুলের সম্পৃক্ত থাকার বিষয়টি।

পরে রাতেই নরসিংদীর মধাবদী থেকে তাকে আটক করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আনা হয়।

তখন পুলিশের কাছে প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেন জহিরুল।

তবে এ ঘটনায় আর কেউ জড়িত আছে কিনা সে বিষয় নিয়ে আরও তদন্ত করা হবে।

গতকাল মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) সকালে প্রবাসী শাহ আলমের বসতঘর থেকে তার স্ত্রী জেকি আক্তার ও দুই ছেলে মাহিন  এবং মহিনের  মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

স্কুল ছাত্রী স্ত্রীকে খুন করে পালালো স্বামী

নিউজ এশিয়া২৪ ডেস্ক: ময়মনসিংহে স্কুল ছাত্রী স্ত্রী রাখিয়া সুলতানাকে(১৭) খুন করে পালালো স্বামী। রাখিয়ার স্বামীর নাম রিপন মিয়া। ।

গতকাল শনিবার দুপুরে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ময়মনসিংহ থানা পুলিশ সুপার (এসপি) মাছুম আহাম্মদ ভূঞা।

শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থেকে রিপন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদে রিপন মিয়া তার স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করেন।

নিহত রিয়া ভালুকার বাটাজোর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন।

ঘাতক স্বামী রিপন টাঙ্গাইল সখিপুরে ছিলিমপুর গ্রামের মানিক মিয়ার ছেলে।

গত ৯ অক্টোবর স্কুল থেকে ফেরার পথে রিয়াকে কুপিয়ে খুন করা পালিয়ে যায় তার স্বামী।

এসপি মাছুম আহাম্মদ ভূঞা বলেন, গত বছর ৮ লাখ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে হয়।

moymonsingh-murder-newsasia24

বিয়ের ১৫ দিন পর সৌদি আরব চলে যান রিপন। সেই থেকে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। এক পর্যায় রিয়া আর রিপনের সংসার করবে না বলে জানায়।

এই অবস্থায় রিয়ার পরিবার দেনমোহরের ৮ লাখ টাকা দাবি করে। ফলে রিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় রিপন।

অন্যদিকে রিয়ার স্কুলের বন্ধুদের মাধ্যমে জানতে পারেন, তার স্ত্রী রিয়া অন্য ছেলের সাথে পরকিয়ার সম্পর্কে জরিয়ে পরেছে।

আরও পড়ুন:

এতে রিপন ক্ষুব্ধ হয়। কাউকে না জানিয়ে গত ২ অক্টোবর দেশে চলে আসেন। ৮ তারিখে ভালুকা এসে রিয়াকে তার স্কুলের সামনে এক ছেলের সঙ্গে কথা বলতে দেখে। এতে রিয়াকে খুন করার পরিকল্পনা করেন।

খুনের পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ৯ অক্টোবর রিপন সখিপুর বাজার থেকে দা কিনে নিয়ে আসে। ঠিক ওইদিন দুপুরেই ভালুকা এসে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে রিয়াকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে পালিয়ে যায় রিপন।

এ সময় স্থানীয়রা রিয়াকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে। হাসাপাতালে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে।

উক্ত সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

খাগড়াছ‌ড়িতে চোলাইমদসহ চার মাদক ব্যবসায়ী আটক

মো: এনামুল হক, খাগড়াছ‌ড়ি: খাগড়াছ‌ড়ির গুইমারা ও মা‌নিকছ‌ড়ি‌তে চোলাইমদসহ চার মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ।

আজ শুক্রবার (১৩ অ‌ক্টোবর) সন্ধায় যোগ্যাছোলা এবং গুইমারা বাজার হ‌তে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হ‌লেন, গুইমারা হাজাপাড়ার মৃত আবুল হোসেনের ছে‌লে মিজানুর রহমান, মো: জমচু মিয়ার ছে‌লে মো: আরিফ হোসেন, রাঙ্গামাটির কাউখালীর সুইচাপ্রু মারমার মে‌য়ে ক্রইসাচিং মারমা (৩৪) এবং কাপ্তাই রাইখালীর ক্যোয়াইসুই অং মারমার মে‌য়ে থুইয়ইনু মারমা (৩৩)।

1khagrachori-drug-arest-newsasia24

পু‌লিশ সূ‌ত্রে জানা গেছে, চোলাইমদের গোপন সংবা‌দ পেয়ে গুইমারা বাজারে অভিযান চালায় পুলিশ। এ অভিযানে ৫২ লিটার দেশীয় চোলাইমদসহ মিজানুর রহমান ও আ‌রিফ হোসেনকে আটক করে পুলিশ। এবং তাদের মোটর সাইকেলটি জব্দ করা হয়।

অপর দি‌কে মা‌নিকছ‌ড়ি যোগ্যাছোলা এলাকায় অ‌ভিযান প‌রিচালনা ক‌রে ৫১ লিটারমদ সহ ক্রইসাচিং মারমা ও থুইয়ইনু মারমাকে গ্রেফতার করা হ‌য়ে‌ছে।

আরও পড়ুন: 

খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মুক্তা ধর জানিয়েছেন, গ্রেফতারকৃতদের আই‌নি কার্যক্রম চলছে।

তি‌নি আরও বলেন, শারদীয় দুর্গা পূজা উৎসব উপলক্ষে কিছু অসাধু ব্যাবসায়ী ও বিভিন্ন অপরাধী চক্র সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে।

খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশ খাগড়াছড়ি জেলার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং এই সকল অপরাধীদের অপতৎপরাতা রোধের লক্ষ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হ‌য়ে‌ছে।

এছাড়াও, যেকোন ধরনের অসংগতি বা অপরাধমূলক কার্যক্রম ঘটলে দ্রুত পলিশকে জানানোর জন্য অনুরোধ করেন।

সম্পর্ক গভীর করে বাসায় ডেকে টাকা আদায়, আটক ৪

নিউজ এশিয়া২৪ ডেস্ক: বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ওয়াসফিয়া। তৈরি করতেন সম্পর্ক। তারপর ফাদে ফেলে সবকিছু হাতিয়ে নিতেন তিনি। বাসায় ডেকে আপত্তিকর ছবিতুলে ব্ল্যাকমেইল করায় পারদর্শী।

তার আছে একটি চক্র। তাদের মধ্যে ৩ জন নারী ও ১ জন পুরুষ। অবশেষে পুলিশের কাছে আটক হোন তারা।

নারীদের মধ্যে ছিলেন, খাদিজা (২৭), মুনমুন (৩০) ও ওয়াসফিয়া খানম (২৬) এবং পুরুষ ব্যাক্তিটি হলেন হাদিউল ইসলাম বাবু (৩৪),

বুধবার (১১ অক্টোবর) মিরপুর মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহসীন এ তথ্য নিশ্চিত করেন ।

তিনি জানান, গতকাল মঙ্গলবার মিরপুর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরও জানান, তাদের মধ্যে বাবু ব্যবসায়ী, খাদিজা ও মুনমুন গৃহিণী এবং ওয়াসফিয়া একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ শিক্ষার্থী।

এ চক্রের মাস্টারমাইন্ড ওয়াসফিয়া । তিনিই মূলত পরিকল্পনা সাজান। প্রথমে একজনকে টার্গেট করা হয়। টার্গেট করে তার সাথে তৈরি হয় বন্ধুত্ব।

আরও পড়ুন:

অফলাইনে তাদের যেকোনো একজন মেয়ে আর্থিক সহযোগিতার মাধ্যমে সম্পর্ক গড়ে তোলেন।

এরপর সেই নম্বরে নিয়মিত যোগাযোগ করে তৈরি করা হয়।প্রেমের সম্পর্ক। সম্পর্ক গভীর হলে টার্গেটকে বাসায় ডাকা হয়। বাসায় আসলেই চক্রের বাকি সদস্যরা মারধর করে টাকা ও মোবাইল নিয়ে ফেলে।

এ সময় মেয়ে সদস্যরা প্রথমেই ওই ছেলের সঙ্গে আপত্তিকর ছবি তুলে। তারপর শুরু হয় ব্লাকমেইল। সেই ছবি স্ত্রী কিংবা পরিবারের কাছে পাঠিয়ে বড় অংকের টাকা দাবি করত তারা।

টাকা না দিলে মাদক দিয়ে ফাঁসানোর হুমকি দেয়। উপায়ন্তর না দেখে এবং সামাজিক মর্যাদাহানির ভয়ে তারাও টাকা দিত তারা।

এইভাবে এক এনজিও কর্মকর্তার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন খাদিজা। বাবার অসুস্থতার কথা বলে খাদিজা ওই ব্যক্তির কাছ থেকে নেন ২০০ টাকা।

এ টাকা নেওয়ার মাধ্যমেই পরিচিত হন তিনি। এরপর বিভিন্ন সময় ফোন দিয়ে সম্পর্ক আরও গভীর করতে থাকেন। এক পর্যায়ে মঙ্গলবার তাকে বাসায় ডাকেন খাদিজা। বাসায় আগে থেকেই ছিলেন বাবু, মুনমুন ও ওয়াসফিয়া।

তিনি বাসায় ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে তাকে বেঁধে মারধর করে মোবাইল ও ৫ হাজার টাকা নিয়ে নেয় তারা। এরপর তার স্ত্রীকে ফোন করে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন ঐ চক্র।

শেষে ১০ হাজার ২০০ টাকায় রফা করেন। টাকা নিয়ে রাতে তাকে ছেড়ে দিতে আসলে তিনি চিৎকার শুরু করেন। এ সময় আশপাশের লোক এসে তাদের আটক করেন।

পরে পুলিশকে খবর দেয়া হলে পুলিশ এসে তাদের আটক করে এবং মোবাইল ও টাকা উদ্ধার করে।

ধর্ষক পীর কারাগারে

নিউজ এশিয়া২৪ ডেস্ক: হবিগঞ্জে এক কথিত পীরকে করাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি ধোকা দিয়ে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ করেন এবং ৭০ লাখ টাকা আত্নসাৎ করেন।

মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হারুন অর রশিদ ওই ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

কথিত পীরের নামআব্দুল কাইয়ুম (৪৫)। হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে তিনি।

কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার বাসিন্দা এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রীর (৪০) মামলায় কাইয়ুমকে কারাগারে পাঠানো হয় ।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আজিজুর রহমান সজল খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় অভিযোগে জানা গেছে, ২০১৮ সালে ওই নারীর সঙ্গে কাইয়ুমের পরিচিত হয় ফটিক ছড়ির একটি মাজারে । পরে ওই নারীর সাথে পীর- ভাই সম্পর্ক করে কাইয়ুম। পরে ভাই সেজে তিন তলা বাড়িতে আসা-যাওয়া করতে থাকেন।

এরপর ২০২১ সালে কাইয়ুম ভুক্তভোগী ওই নারীকে জানান, ওই বাড়িটিতে থাকলে তাদের বড় বিপদ হবে ফলে দ্রুত বাড়িটি বিক্রি করা প্রয়োজন।
পরে বাড়ি আরও জায়গা বিক্রি করে বিক্রির ৭০ লাখ টাকা নিয়ে হবিগঞ্জে চলে যান ভন্ড পীর কাইয়ুম।

এর কয়েকদিন পর হবিগঞ্জের ভাদৈ এলাকায় ৮ শতক জায়গা ক্রয় করে সন্তানদের দিয়ে তিনি বাস করতে থাকেন কাইয়ুম। সেই সুযোগে কাইয়ুম ওই নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।

শুরুতে নির্যাতন সহ্য করলেও একপর্যায়ে তিনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে ৫ জুন হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন ওই নারী।

আরও পড়ুন: বিমানে যৌনকর্ম করায় গ্রেফতার নারী-পুরুষ

এ মামলায় কাইয়ুম গত ৮ আগস্ট উচ্চ আদালতে জামিন প্রার্থনা করলে বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন এবং বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের বেঞ্চ তা না-মঞ্জুর করে কাইয়ুমকে নিম্ন আদালতে হাজির হওয়ার আদেশ দেন। সূত্রঃ বাংলানিউজ২৪

আগামী বছর বড় হামলার পরিকল্পনা ছিল তাদের