শিরোনাম

লাইফ স্টাইল

মজাদার কাঁচা আমের পাপড়

লিমা পারভীন: দুইটি কাঁচা আম আর এক কাপ সাবু দিয়ে মজাদার পাপড় বানিয়ে নিতে পারেন। টক টক, ঝাল ঝাল পাপড় বাড়ির ছোট-বড় সবাই পছন্দ করবে।

কাঁচা আমের পাপড়ের রেসিপি:

১. প্রথমে দুইটি কাঁচা আম নিয়ে নিন। এবার আমগুলো কেটে টুকরো টুকরো করে নিতে হবে। তারপর ভালো করে সিদ্ধ করে নিতে হবে। এরপর একটি ছাঁকনিতে সিদ্ধ আমগুলো ঢেলে দিতে হবে। তারপর একটা চামচ দিয়ে চেপে চেপে ছেঁকে নিন। যাতে ছোকলা না থাকে। যদি ছোকলা থাকে তাহলে পাপড় ভালো হবে না।

২. মিক্সারের বাটিতে এক কাপ পরিমাণ সাবু দানা ১০ থেকে ১৫ মিনিটের জন্য ভিজিয়ে রাখুন। এরপর মিক্সারে পেস্ট করে নিন।

৩. এবার চুলায় একটি ফ্রাইপ্যান বসিয়ে দিন। ফ্রাইপ্যানে সাদা তেল দিয়ে দিন এবং এতে আমের মিশ্রণ দিয়ে কিছু সময় নাড়তে হবে। চুলার আঁচ কমিয়ে রাখতে হবে এবং মিশ্রণটা আঠালো হওয়া পর্যন্ত নাড়তে হবে। এরপর এতে সাবু দানার মিশ্রণ মিশিয়ে দিতে হবে। মিশ্রণটা বার বার নাড়তে হবে। এতে ভাজা জিরা, চিলি ফ্লেক্স, পরিমাণ মতো লবণ এবং সামান্য পানি মিশিয়ে দিতে হবে। সঙ্গে দিতে পারেন সামান্য একটু ফুড কালার। পুরো মিশ্রণটি আরও কিছুক্ষণ নাড়তে হবে। খেয়াল রাখতে হবে মিশ্রণটি যেন খুব পাতলা হয়। তাহলে শুকাতে অনেক সময় লেগে যাবে।

আরও পড়ুন:

৪. এবার একটি পলিথিনে সয়াবিন তেল মেখে নিতে হবে। এর ওপর অল্প অল্প পরিমাণে আম-সাবুর মিশ্রণটি ঢেলে দিয়ে পাপড়ের আকার তৈরি করে নিতে হবে। তারপর এগুলো কড়া রোদে শুকিয়ে নিতে হবে। যখন দেখবেন যে হাতে নিয়ে চাপ দিলে কুড়মুড় শব্দে ভেঙে পড়ছে তখন বুঝবেন এগুলো ভাজার উপযুক্ত হয়ে গেছে।

৫. সয়াবিন তেলে শুকনো পাপড়গুলো ভেজে নিতে হবে।

google-news-channel-newsasia24

অতিরিক্ত ঘামের কারন যে খাবারগুলো, জেনে নিন!

লিমা পারভীন: কিছু কিছু মানুষ আছে যারা অতিরিক্ত ঘামে, একদম ভিজে যায়, তারা ভুলেও খাবেন না এই খাবারগুলো ।

জেনে নেই কি সেই খাবারগুলো,

১. কফি: অনেকেরই দিন শুরু হয় কফি দিয়ে, নয়ত দিন চাঙ্গা কাটে না। কিন্তু পুষ্টিবিদের মতে, এই গরমে ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়তে রাশ টানা জরুরি। ক্যাফেইন শরীরের অ্যাড্রিনাল গ্রন্থিগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করতে পারে। এটি হাতের তালু, পা এবং আন্ডারআর্মের ঘাম বাড়িয়ে দেয়। আর তাই অতিরিক্ত ঘাম এড়াতে কফির কাপে পরিমিতভাবে চুমুক দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

২. তেলে ভাঁজা খাবার: গরমের ক্লান্তি কাটাতে মাঝেমাঝে একটু মুখরোচক ভাজাভুজি খেলে ভালো লাগে সবারই। তবে ডুবো তেলে ভাজা খাবার বেশি খেলে ঘাম হতে থাকে অনবরত। তবে ঝাল, মসলাদার খাবার আপনার শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।

৩. চিনিযুক্ত খাবার: বেশি চিনি যুক্ত খাবার খাওয়া, স্বাভাবিকের চেয়েও বেশি ঘামের কারণ হতে পারে। ওয়েবএমডির মতে, অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার খাওয়ার ফলে শরীর অতিরিক্ত পরিমাণে ইনসুলিন তৈরি করে। ইনসুলিনের এই আকস্মিক বৃদ্ধির ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যেতে পারে, এটি হাইপোগ্লাইসেমিয়া নামে পরিচিত। তাই গরমে বেশি চিনিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।

আরও পড়ুন:

৪. অ্যালকোহল: অ্যালকোহলও কিন্তু ঘামের উৎপাদন বাড়াতে ভূমিকা রাখে। হেলথলাইনে উল্লিখিত, অত্যাধিক অ্যালকোহল গ্রহণ পেরিফেরাল রক্তনালীগুলোকে প্রশস্ত করে, যা আপনার শরীরে ঘামের সৃষ্টি করে। তাই অ্যালকোহল এড়িয়ে চলতে হবে।

৫. কোমল পানীয়: এই গরমে অনেকেই ঠান্ডা কোমল পানীয়তে চুমুক দিয়ে প্রশান্তি অনুভব করেন। বিশেষ করে রাস্তায় বের হলেও কোমল পানীয় ছাড়া চলে না। কোমল পানীয় কখনোই শরীরের জন্য ভালোা নয়। অতিরিক্ত চিনি থাকার কারণে এটি রক্তে শর্করার মাত্রার ওঠানামার কারণ হতে পারে, সেখান থেকে দেখা দেয় ঘাম।

google-news-channel-newsasia24

মোবাইল ধরা দেখেই বুুঝতে পারবেন লোকটি কেমন স্বভাবের

নিউজ এশিয়া২৪ ডেস্ক: প্রিয় স্মার্টফোন প্রায় সব সময়ই আমাদের হাতেই থাকে। জানেন কি, এই ফোন কীভাবে ধরছেন, কোন আঙুলে লিখছেন তা দেখেই বোঝা যায় কে কেমন ব্যক্তিত্বের লোক জেনে নিন:

যারা বুড়ো আঙুলে স্মার্টফোন ব্যবহার করেন, তারা সাধারণত আত্মবিশ্বাসী হন।

কিছুটা বেপরোয়া স্বভাবের জন্য খুব সহজে সম্পর্কে জড়াতে চান না এরা।

অনেকে আবার দুই হাতের দুটি বুড়ো আঙুল ব্যবহার করে টাইপিং করেন। এই ধরনের মানুষ খুব দ্রুত কাজ শেষ করতে পারেন। তারা কাজ এবং সম্পর্কের প্রতি সৎ থাকেন।

তর্জনীর ব্যবহার করে যারা টাইপ করেন তারা কিন্তু খুব সৃজনশীল হন।

google-news-channel-newsasia24

সেহরিতে কী খেতে বলেন পুষ্টিবিদরা?

নিউজ এশিয়া২৪ ডেস্ক: আমরা সাধারনত সেহরিতে তেল জাতীয় খাবার খেয়ে থাকি। যেটা শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর। পুষ্টিবিদরা বলেন, সেহরিতে এমন খবার খেতে হবে যেটা সহজেই হজম হয় এবং স্বাস্থ্যকর। অর্থাৎ যে খাবারগুলোতে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম ও আশঁযুক্ত।

চলুন, জেনে নেয়া যাক সেই খাবারগুলোর তালিকা।

★ লাল চালের ভাত খেতে পারেন ঘন ডাল দিয়ে, কারণ সাদা চাল তাড়াতাড়ি হজম হয় ও ক্ষুধা লেগে যায়। তাছাড়া হোলগ্রেইন জাতীয় খাবার খেতে পারেন। যেমন- ওটস বা চিড়া।

★ ভালো মানের প্রোটিন এর জন্য সিদ্ধ ডিম খেতে পারেন ।

★ বাদাম খেতে পারেন, কারণ বাদামে থাকে ভালো মানের চর্বি। ডিম উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত। এই খাবার হজমে সময় নেয়।

★ খেজুর খেতে পারেন, যাতে আছে ফাইবার ও ভিটামিন-বি। এগুলো শক্তির ভালো উৎস।

★ সেহরিতে ফল জাতীয় খাবারের মধ্যে কলা,আপেল,কমলা, তরমুজ ইত্যাদি মৌসুমী ফল খেতে পারেন।

★ শরবত হিসেবে চিয়া সিডের শরবত খেতে পারেন। কারন, এটি যা ফাইবার রিচ, এন্টিঅক্সিডেন্ট ও মিনারেল সমৃদ্ধ। এটি হজমে সাহায্য করে।

★ ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত কমপক্ষে ১০ গ্লাস পানি পান করতে হবে। যেন শরীরে সারাদিনে পানিশূন্যতা তৈরি না হয়।

সুস্থ থাকতে হলে সেহরিতে অতিরিক্ত খাবেন না।

আরও পড়ুন: 

পেঁয়াজের খোসার জাদুকারি ৬ গুণ

গাড়িতে উঠলেই বমি পায়? জেনে নিন সমাধান

প্রেমে এই ৫টি লক্ষণ থাকলে বিয়ে নিশ্চিত

ব্রকলির এই উপকারিতা জানলে চমকে উঠবেন!

google-news-channel-newsasia24

ত্বকের যত্নে ঘিয়ের যাদু

লিমা পারভীন: খাঁটি ঘিয়ের স্বাদ ও ঘ্রাণ সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। সাধারণত ঘি খাওয়ার জন্যই আমরা ব্যবহার করে থাকি ৷ যে কোন খাবারকে অসাধারণ স্বাদের করে তুলতে ঘিয়ের তুলনা নেই। এ ছাড়া ঘিয়ের স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক।

তবে রান্নার পাশাপাশি ত্বকের যত্নেও ঘি অতুলনীয়। শোনা যায়, প্রাচীন কালে বিয়ের আগে হবু কনেরা তাদের রূপচর্চায় ঘি ব্যবহার করতেন।

ঘিয়ের মধ্যে থাকে ভিটামিন এ, ডি এবং ই। এসব ভিটামিন ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার পাশাপাশি ত্বকের বয়স ধরে রাখার (অ্যান্টি-এজিং প্রপার্টি) গুণ রয়েছে।

আরও পড়ুুন>>পেঁয়াজের খোসার জাদুকারি ৬ গুণ

এ ছাড়া বয়সজনিত কারণে ত্বকে যে সমস্যাগুলো হয়, নিয়মিত ঘি ব্যবহারে সেগুলি কমে যায়। তবে ত্বকে ব্রণর সমস্যা থাকলে বা ত্বক অতিরিক্ত তৈলাক্ত হলে ঘি ব্যবহার না করাই ভাল।

ত্বকে নিয়মিত ঘি মাখার উপকার:

১. শুকনো ত্বকের সমাধান: হাতে কয়েক ফোঁটা ঘি নিন। শুকনো ত্বকে লাগিয়ে দিন। যতক্ষণ সম্ভব রাখার পরে ধুয়ে ফেলুন। শুকনো ত্বকের পাকাপাকি সমাধান হয়ে গেল। ঘি শুকনো ত্বককে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে।

The-magic-of-ghee-in-skin-care2-newsasia24

২. বলিরেখা: বয়সের সঙ্গে সঙ্গে বলিরেখা পড়তে শুরু করে। কিন্তু তার গতি কমিয়ে দিতে পারে ঘি। ঘিয়ে থাকা ভিটামিন ই ত্বকের যৌবন ধরে রাখতে সাহায্য করে। রোজ ঘি লাগালে বলিরেখা দেরিতে পড়ে।

আরও পড়ুন>>গাড়িতে উঠলেই বমি পায়? জেনে নিন সমাধান

৩. বাথ অয়েল: ঘি দিয়ে বাথ অয়েল বানানো যায়। পাঁচ ফোঁটা ঘি আর ১০ ফোঁটা এসেনশিয়াল তেল মিশিয়ে নিন। গোসলের পর এই মিশ্রণ হাতে-পায়ে লাগিয়ে নিন। প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজারের কাজ হয়ে যাবে।

৪. ডার্ক সার্কেল: ঘুমের অভাবে চোখের নীচে কালচে দাগ পরে। আর দেখতে অনেক বাজে লাগে। নিয়মিত কয়েক ফোঁটা ঘি ডার্ক সার্কেলের জায়গায় লাগান। চোখের নীচের কালচে দাগ কমে যাবে।

আরও পড়ুন>>প্রেমে এই ৫টি লক্ষণ থাকলে বিয়ে নিশ্চিত

৫. ঠোঁটের যত্ন: ঠোঁট ফাটা থেকে কালচে ঠোঁট—েইত্যাদি সমস্যার একটাই সমাধান ঘি। নিয়মিত ঘি দিয়ে ঠোঁট মালিশ করলে এসব সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যাবে।

google-news-channel-newsasia24

Follow

পেঁয়াজের খোসার জাদুকারি ৬ গুণ

লিমা পারভীন: রান্নার ক্ষেত্রে যেমন পেঁয়াজের গুণ অপরিসীম ঠিক তেমনি পেঁয়াজের খোসার গুণ ও অপরিসীম। পুষ্টিবিদেরা বলছেন, পেঁয়াজের খোসার মধ্যে রয়েছে নানা ধরনের গুনাগুণ।

চলুন জেনে নেই পেঁয়াজের খোসার গুণাবলী:

১. ত্বকের যত্নে: স্পর্শকাতর ত্বকে খুব সহজেই র‌্যাশ, ব্রণ হয়। রোদ লাগলে মুখ লাল হয়ে, জ্বালা করতে থাকে। এই ধরনের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেঁয়াজের খোসার নির্যাস বা খোসা ভেজানো পানি ব্যবহার করা যেতে পারে। এ ছাড়া পেঁয়াজের খোসা ত্বকের নতুন কোষ গঠনে সহায়তা করে। নিয়মিত পেঁয়াজের খোসা মেশানো চা খেলে ত্বকের শুষ্কতা দূর হয়।

আরও পড়ুন>>গাড়িতে উঠলেই বমি পায়? জেনে নিন সমাধান

২. চুলের যত্নে: অতিরিক্ত চুল পড়লে ঘরোয়া সমাধান হিসেবে পেঁয়াজের রস ব্যবহার করেন অনেকেই। পেঁয়াজ এবং খোসা দুটিতেই প্রচুর সালফার রয়েছে। পেঁয়াজের খোসা সেদ্ধ পানি চুলের যত্নে ব্যবহার করলে খুশকির সমস্যা কমে যায়। চুলের বৃদ্ধিতেও পেঁয়াজের খোসা কার্যকর।রাসায়নিক মুক্ত ‘ডাই’ তৈরি করতেও অনেকে পেঁয়াজের খোসা গুঁড়ো ব্যবহার করেন।

The-magic-of-onion-peel-is-6-times-newsasia24

৩. মেদ ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে: পেঁয়াজের খোসা দিয়ে তৈরি চা ত্বক ও স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এটি মেদ, স্থূলতা, উচ্চ রক্তচাপ এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে।

আরও পড়ুন>>প্রেমে এই ৫টি লক্ষণ থাকলে বিয়ে নিশ্চিত

৪. পেশীর সমস্যা দূর করতে: পায়ে ব্যথার সমস্যা বা পায়ের পেশীতে টান লাগার সমস্যায়ও উপকার পাবেন পেঁয়াজের খোসায়। পেঁয়াজের খোসা সেদ্ধ পানি পানে আরাম পাবেন, সাথে মিশিয়ে নিতে পারেন মধু।

৫. পেটের সমস্যা: গ্যাস, গলা-বুক জ্বালার ভয়ে পেঁয়াজ খেতেই পারেন না। পুষ্টিবিদেরা বলছেন, সে ক্ষেত্রে খাবারে পেঁয়াজের বদলে ব্যবহার করা যেতে পারে পেঁয়াজের খোসা গুঁড়ো বা খোসা ভেজানো পানি।

আরও পড়ুন>>ব্রকলির এই উপকারিতা জানলে চমকে উঠবেন!

৬. গাছের সার: গাছের জন্য পটাসিয়াম সমৃদ্ধ সার তৈরি করতে পেঁয়াজের খোসা কাজে লাগতে পারে। এই খোসা ফেলে দেওয়ার পরিবর্তে গাছের গোড়ায় ব্যবহার করুন। গাছের বৃদ্ধি হবে, ডালপালা শক্তিশালী হবে, ফল উৎপাদনের পরিমাণ বাড়বে।

google-news-channel-newsasia24

Follow

গাড়িতে উঠলেই বমি পায়? জেনে নিন সমাধান

লিমা পারভীন: কোথাও ঘুরতে যাওয়ার সময় গাড়িতে উঠলেই মনমেজাজ ভালো হয়ে যায় সবারই। তবে কিছুক্ষণ পর থেকে অনেকেরই শরীর খারাপ লাগে, আবার বমি বমি ভাব হতে থাকে। আবার মাথা ঘুরছে বলে মনে হয়।

কিছু বুঝে ওঠার আগেই অনেকেই বমি করেও ফেলেন। এই সমস্যাকে ডাক্তারি ভাষায় মোশন সিকনেস বলা হয়। ডাক্তারের মতে, গাড়ি চলার সঙ্গে এই শারীরিক সমস্যা সম্পর্কিত।

মোশন সিকনেস কী ও কেন হয়?

গাড়ি চললেও আমরা কিন্তু স্থির থাকি। এ সময় আমাদের শরীর গাড়ির সঙ্গে সঙ্গে চলতে থাকে। আমাদের চোখ, কান, পেশি ও বিভিন্ন জয়েন্ট গতি সংবেদনশীল অঙ্গ বা মোশন সেন্সিং অর্গ্যান। যখন গাড়ি চলছে, তখন আমাদের চোখ চারপাশের জিনিসকে চলমান দেখে।

আরও পড়ুন>>প্রেমে এই ৫টি লক্ষণ থাকলে বিয়ে নিশ্চিত

কানের ভেতর থাকা তরল গতি বুঝতে পারে। ফলে কান, চোখ মস্তিষ্ককে বোঝাতে চায় শরীর চলছে। পেশি ও জয়েন্ট বোঝাতে চায় শরীর স্থির আছে। এসবের মাঝে পড়ে ব্রেন গুলিয়ে ফেলে সবটা। যার ফল হলো বমি।

মোশন সিকনেসের লক্ষণ কী কী?

১. বমি বমি ভাব
২. মাথা ঘোরা
৩. মাথাব্যথা
৪. ক্লান্ত লাগা
৫. অমনোযোগী
৬. হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি।

এর সমাধান কী?

১. চোখ বুজে কিছুক্ষণ ঘুমিয়ে নিন: চোখ বুজে থাকলে একটা অঙ্গ ব্রেনে সংকেত পাঠানো বন্ধ করে দেবে। পাশাপাশি ঘুমিয়ে পড়লে মস্তিষ্ক ঠান্ডা থাকে। এতে বমি বমি ভাব আর পায় না।

আরও পড়ুন>>ব্রকলির এই উপকারিতা জানলে চমকে উঠবেন!

২. আদাকুচি মুখে রাখুন: বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, আদা এই সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। তাই মুখে একটি আদাকুচি রেখে দিতে পারেন। মাঝে মাঝে চিবোতে পারেন এটি।

৩. চিউইং গাম খান: চিউইংগামের মধ্য়ে একটি ঠান্ডাভাব থাকে। যা এই সময় উপকারী হতে পারে।

৪. দূরের স্থির কিছুর দিকে তাকানো: দূরে স্থির কিছু দেখা যাচ্ছে? সেদিকেই তাকিয়ে থাকুন। এতে চোখ দেখবে সেটি স্থির রয়েছে। ফলে শরীর চলছে, এমন কোনো সংকেত মস্তিষ্ককে পাঠাবে না।

আরও পড়ুন>>কালচে ঠোট গোলপি করার ১০টি কার্যকরী ঘরোয়া উপায় এবং টিপস

৫. বাতাস লাগান শরীরে: গাড়ির জানালার কাঁচ নামিয়ে দিতে পারেন। জানালা দিয়ে আসা বিশুদ্ধ হাওয়া কিছুটা আরাম দেবে।

google-news-channel-newsasia24

Folllow

প্রেমে এই ৫টি লক্ষণ থাকলে বিয়ে নিশ্চিত

নিউজ এশিয়া ২৪ ডেস্ক: প্রেম করলেই বিয়ে করে ঘর বাঁধা হয় না সবার। এছাড়াাও প্রেম এবং বিয়ে এক জিনিস নয়, দুটো দু ধরনের। তবে একটির সঙ্গে আরেকটির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। নিচের এই পাঁচটি লক্ষণ যদি থাকে তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন, আপনাদের বিয়েটা হবে কি না!

google-news-channel-newsasia24

১. যার সঙ্গে প্রেম করছেন তিনি কী তার বাড়ির কথা বলছেন? উত্তর যদি হ্যাঁ হয়, তাহলে এটি খুবই ভালো লক্ষণ। গভীর ভালোবাসায় শুধু নিজেদের গল্প থাকে না, সে প্রেমে পরিবারের কথাও আসে। পরিবারের ভালো-মন্দ বিষয়ও প্রাধান্য পায় দুজনের আলোচনায়।

২. যারা ভবিষৎ নিয়ে কথা বলেন, তারা সাধারণত একে অপরের সঙ্গেই ঘর বাঁধতে চান। ভালোবাসার মানুষ যদি বারবার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা বলেন তাহলে তো সোনায় সোহাগা। কারণ তিনি আপনাকে নিয়ে সংসার করার স্বপ্ন দেখছেন, এটুকু নিশ্চিত।

৩. বিয়েটা তাড়াতাড়ি করবেন বলে যে নিজেকে তাড়াতাড়ি প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছে, আপনার কাছে পরামর্শ চাইছে; তাহলে বুঝবেন তিনি আপনাকে ছেড়ে যাবেন না।

৪. পরিবারের সঙ্গে পরিচয় করাতে যদি কোন প্রকার আপত্তি বা দ্বিধা না করেন, তাহলেই বুঝতে পারবেন কিন্তু আপনাকে তার পরিবারের একজন হিসেবে ভাবতে শুরু করেছেন, এমনকি পরিবারের সদস্যদেরকেও ভাববে বলছেন।

৫. যে সারাজীবন পাশে থাকতে চায়, সে অভয় চায় আর প্রতিশ্রুতি চায়। আপনার কাছে যদি আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকা বার বার প্রতিশ্রুতি চায় তাহলে বুঝবেন তিনি আপনাকে হারাতে চান না। এবার এই সম্পর্কের প্রতি সৎ থাকার দায়িত্ব আপনারও।

আরও পড়ুন: 

ব্রকলির এই উপকারিতা জানলে চমকে উঠবেন!

লিমা পারভীন: শীতকালীন সবজি ব্রকলি। অনেকটা ফুলকপির মতো দেখতে সবুজ রঙের এই সবজি। বর্তমানে চায়নিজ খাবারের পাশাপাশি দেশি খাবারেও ব্যবহৃত হচ্ছে ব্রকলি। কাঁচা বা রান্না করে খাওয়া যায় এই সবজি।

ব্রকলি সাধারণত ক্রসিফেরী গোত্রের শীতকালীন সবজি। এতে ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ফোলেট, আঁশ আছে। এতে ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস থাকায় হৃদরোগ, বহুমূত্র এবং ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

ব্রকলিতে উচ্চমাত্রার ভিটামিন সি পাওয়া যায়। মার্কিন ফুডডাটা সেন্ট্রালের তথ্য মতে দিনে মাত্র ১০০ গ্রাম ব্রকলি শরীরে প্রতিদিনের ভিটামিন সি এর চাহিদার ১৫০% পূরণ হতে পারে।

Benefits-of-Broccoli2-newsasia24

আসুন জেনে নিই ব্রকলির ৬ টি উপকারিতা:

১. ভিটামিন সি: লেবুর দ্বিগুণ ও আলুর সাত গুণ ভিটামিন সি ব্রোকলিতে। বলা হয়, যাঁদের ভিটামিন সি দরকার, তাঁরা অল্প করে হলেও ব্রোকলি প্রতিদিন খেতে পারেন। এছাড়া, ভিটামিন সি দেহে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহের ক্ষতিকর ফ্রি-র‍্যাডিক্যালস দূর করে।

২. ক্যান্সার প্রতিরোধ: ব্রোকলির বিটা ক্যারোটিন ও সেলিনিয়াম যৌথ ও ভিটামিন সি প্রোস্টেট, কোলন, ফুসফুস, যকৃত, স্তন ও প্যানক্রিয়াটিক ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে। এছাড়া ব্রকলির মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে বায়োঅ্যাক্টিভ যৌগ।

আরও পড়ুন>>কালচে ঠোট গোলপি করার ১০টি কার্যকরী ঘরোয়া উপায় এবং টিপস

৩. ত্বক ভালো রাখে: ক্ষতিগ্রস্ত ত্বকের টিস্যু মেরামত করে এবং ত্বক উন্নত করতে ব্রকলিতে থাকা গ্লুকোরাফানিন বৈশিষ্ট্য অনন্য। ব্রকলিতে রয়েছে ভিটামিন কে ও ভিটামিন সি, যা চুল ও ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে থাকে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করে থাকে।

৪. ওজন নিয়ন্ত্রণ: ওজন কমানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ব্রকলি। এতে ফাইবার ও পানির পরিমাণ বেশি থাকায় এটি খেলে অন্য খাবারের আসক্তি কমে। বেশি আয়রন থাকায় ডায়েটের সময় ব্রোকলি খেলে ঝিম ধরা ভাব দূর হয়।

আরও পড়ুন>>মন খুলে কান্না করুন সুস্থ থাকুন

৫. হার্ট ভালো রাখে: সালফোরাফেন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভালো কোলেস্টেরল এইচডিএলের মাত্রা বাড়িয়ে হৃৎপিণ্ডকে বিভিন্ন হৃদরোগের থেকে রক্ষা করে। ব্লাড সুগারের মাত্রা কমায়। এছাড়া গ্যাসট্রিক আলসার ও গ্যাসট্রাইটিস প্রতিরোধে দারুণ কার্যকর ব্রোকলি।

৬. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ, জ্বর, মুখের ঘা, সর্দি-কাশি ইত্যাদি আরও অনেক রোগ প্রতিহত করে। এতে থাকা সেলিনিয়াম দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

ব্রকলি যেভাবে খাবেন:
ব্রকলি কাঁচা বা সিদ্ধ করে খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়। ব্রকলি অনেকক্ষণ ধরে রান্না করলে এর পুষ্টি উপাদান হ্রাস পায়। তাই এটি ভাপে সেদ্ধ করা ভালো।এছাড়া সালাদ বা স্যুপ বানিয়েও ব্রকলি খাওয়া যায়। তবে একটানা না খেয়ে সপ্তাহে ৩-৪ দিন খেলে পুষ্টিগুণ পর্যাপ্ত পাওয়া যাবে।

google-news-channel-newsasia24

Follow

কালচে ঠোট গোলপি করার ১০টি কার্যকরী ঘরোয়া উপায় এবং টিপস

নিউজ এশিয়া২৪ ডেস্ক: মুখের সৌন্দর্যের অন্যতম অঙ্গ ঠোঁট। অতিরিক্ত প্রসাধনীর ব্যবহার, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার কারণে ঠোঁটে কালচেভাব দেখা দেয়। বেশীরভাগই অযত্নের কারণে অনেকেরই ঠোঁট কালো হয় থাকে। এছাড়াও ঠোঁটের যত্নে সঠিক পণ্য ব্যবহার করা হয় না বিধায় ঠোঁট কালো হতে পারে।

ছেলেদের ঠোটের রং নানা কারণেই কালচে হয়ে যেতে পারে। সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি, ধূমপান, চা-কফি পান এবং বয়স ইত্যাদি বিভিন্ন কারণের ছেলেদের ঠোঁটে কালচে ভাব চলে আসে। কিন্তু এই সমস্যারও সমাধান রয়েছে।

ঠোঁটের কালচে ভাব দূর করে ঠোঁটে পুনরায় গোলাপি আভা আনতে আছে কিছু প্রাকৃতিক ও সহজ পদ্ধতি-

হলুদ: ত্বক উজ্জ্বল করার গুণের জন্য সুপরিচিত হলুদ। আধা চা-চামচ হলুদের সঙ্গে আধ চা-চামচ দুধ মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই মিশ্রণটি নিয়মিত ঠোঁটে মালিশ করলে কালচেভাব দূর হয়।

লেবু: ঠোঁটে লেবু ঘষা কালচেভাব দূর করতে সহায়ক। এর প্রাকৃতিক ব্লিচিং ঠোঁটের কালো দাগ কমায় ও মসৃণভাব আনে।

শসা: শসার রস শীতলকারক এবং ত্বকের কালচেভাব দূর করতে পারে। ত্বকের শুষ্কতা দূর করে আর্দ্রতা বজায় রাখতেও সহায়তা করে।

জলপাইয়ের তেল: রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ঠোঁট জলপাইয়ের তেল দিয়ে মালিশ করা উপকারী। এটা ঠোঁটের রং হালকা করে পাশাপাশি ঠোঁটের আর্দ্রতা বজায় রাখে এবং মসৃণ করে তোলে।

অ্যালোভেরা: অ্যালোভেরা ত্বকের ‘মেলানিন’ কমায়। তাজা অ্যালো ভেরা ঠোঁটে মালিশ করুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন, উপকার পাবেন।

নারিকেল তেল: ঠোঁটের কালচেভাব দূর করার সবচেয়ে সস্তা ও সহজ উপায় হল নারিকেল তেল ব্যবহার। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে আঙ্গুলের সাহায্যে নারিকেল তেল ঠোঁটে ব্যবহার করুন, কালচেভাব কমে যাবে।

গোলাপ জল: আধ চা-চামচ গোলাপ জলের সঙ্গে মধু মিশিয়ে তা দিনে দুবার ঠোঁটে ব্যবহার করুন। নিয়মিত ব্যবহারে কালোদাগ দূর হবে।

মধু: মধু একটি প্রাকৃতিক উপাদান যা ত্বককে উজ্জ্বল করতে সহায়তা করে। রাতে ঘুমানোর আগে সামান্য একটু মধু নিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন সারারাত। কয়েক সপ্তাহ এভাবে প্রতিদিন শোবার পূর্বে ঠোঁটে মধু লাগান। খুব দ্রুতই ঠোঁটের কালচে ভাব দূর হতে দেখবেন।

আরও পড়ুন: 

বরফ : যেকোনো দাগের ওপর বরফ ঘষলে দাগ হালকা হয়ে যায়। ঠোঁটে এক টুকরো বরফ ঘষুন প্রতিদিন। এতে আপনার ঠোঁটের কালচে ভাব দূর হবে। বরফ ঠোঁটের আদ্রর্তার পরিমান ঠিক রেখে ঠোঁটকে রুক্ষতার হাত থেকেও পরিত্রান দেবে।

চিনি : প্রাকৃতিক স্ক্রাবার হিসেবে চিনি ব্যবহার করা হয় অনেক কাজেই। চিনি দিয়ে ঠোঁট স্ক্রাব করলে ঠোঁটের কালচে ভাব দূর হওয়ার সাথে সাথে ঠোঁটের মরা চামড়াও দূর হয়। ৩ চামচ চিনি ও ২ চামচ বাটার একসাথে মিসিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করে নিন। সপ্তাহে অন্তত ২ বার এই পেস্টটি দিয়ে ঠোঁট স্ক্রাব করুন। এতে আপনার ঠোঁটের মরা চামড়া দূর হবে এবং কালচে ভাব দূর হয়ে ঠোঁটে গোলাপি আভা আসবে।

google-news-channel-newsasia24

google-news-follow-us-newsasia24

আরও পড়ুন: