কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স (সিন্দুক) চার মাস ১২ দিন পর আবারও খোলা হয়েছে। বাক্সগুলোয় পাওয়া টাকাগুলো ২৮টি বস্তায় ভরা হয়।
টাকা গণনা করে ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা পাওয়া গেছে। এ ছাড়াও স্বর্ণ ও রূপাসহ বেশ কিছু বৈদেশিক মুদ্রাও পাওয়া গেছে।
আজ শনিবার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যার আগে গণনা শেষে দানের টাকার এ হিসাব পাওয়া যায়।
এর আগে শনিবার সকালে পাগলা মসজিদের ১১টি দানবাক্স (সিন্দুক) খোলা হয়। এরপর শুরু হয় দিনব্যাপী টাকা গণনার কাজ এবং সন্ধ্যার আগে টাকা গণনার কাজ শেষ হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন-কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান, কিশোরগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্যসহ আরো অনেকেই।
আরও পড়ুন:
- রেললাইনে মাথা দিয়ে কাতার প্রবাসীর আত্মহত্যা!
- ঈশ্বরদীতে বাস-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ৫
- ৫৮ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা
কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
টাকা গণনা কাজে পাগলা মসজিদ মাদরাসা, আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়া মাদরাসার ২৫০ জন ছাত্র, রূপালী ব্যাংকের ৭০ জন স্টাফ, মসজিদ কমিটির সদস্য ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।
এছাড়াও সার্বিক তদারকি ও নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, সেনা সদস্য, পুলিশ সদস্য ও আনসার সদস্যরা।
সাধারণত তিন মাস পর পর পাগলা মসজিদের দানবাক্স (সিন্দুক) খোলা হয়। এবার চার মাস ১২ দিন পর দানবাক্স (সিন্দুক) খোলা হয়েছে। টাকা গণনা শেষে এবার ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা পাওয়া যায়।
এছাড়াও দানকৃত গবাদি পশু ও অন্যান্য সামগ্রী নিলামে বিক্রি করে টাকাগুলো মসজিদের অ্যাকাউন্টে জমা রাখা হয়।
এর আগে, সর্বশেষ গত বছরের ৩০ নভেম্বর মসজিদের দান বাক্স (সিন্দুক) খুলে গণনা করে ৮ কোটি ২১ লাখ ৩৪ হাজার ৩০৪ টাকা পাওয়া যায়। এ ছাড়াও স্বর্ণ ও রূপাসহ বেশ কিছু বৈদেশিক মুদ্রাও পাওয়া গেছে।