শিরোনাম

লাইফ স্টাইল

ব্রকলির এই উপকারিতা জানলে চমকে উঠবেন!

লিমা পারভীন: শীতকালীন সবজি ব্রকলি। অনেকটা ফুলকপির মতো দেখতে সবুজ রঙের এই সবজি। বর্তমানে চায়নিজ খাবারের পাশাপাশি দেশি খাবারেও ব্যবহৃত হচ্ছে ব্রকলি। কাঁচা বা রান্না করে খাওয়া যায় এই সবজি।

ব্রকলি সাধারণত ক্রসিফেরী গোত্রের শীতকালীন সবজি। এতে ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ফোলেট, আঁশ আছে। এতে ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস থাকায় হৃদরোগ, বহুমূত্র এবং ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

ব্রকলিতে উচ্চমাত্রার ভিটামিন সি পাওয়া যায়। মার্কিন ফুডডাটা সেন্ট্রালের তথ্য মতে দিনে মাত্র ১০০ গ্রাম ব্রকলি শরীরে প্রতিদিনের ভিটামিন সি এর চাহিদার ১৫০% পূরণ হতে পারে।

Benefits-of-Broccoli2-newsasia24

আসুন জেনে নিই ব্রকলির ৬ টি উপকারিতা:

১. ভিটামিন সি: লেবুর দ্বিগুণ ও আলুর সাত গুণ ভিটামিন সি ব্রোকলিতে। বলা হয়, যাঁদের ভিটামিন সি দরকার, তাঁরা অল্প করে হলেও ব্রোকলি প্রতিদিন খেতে পারেন। এছাড়া, ভিটামিন সি দেহে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহের ক্ষতিকর ফ্রি-র‍্যাডিক্যালস দূর করে।

২. ক্যান্সার প্রতিরোধ: ব্রোকলির বিটা ক্যারোটিন ও সেলিনিয়াম যৌথ ও ভিটামিন সি প্রোস্টেট, কোলন, ফুসফুস, যকৃত, স্তন ও প্যানক্রিয়াটিক ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে। এছাড়া ব্রকলির মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে বায়োঅ্যাক্টিভ যৌগ।

আরও পড়ুন>>কালচে ঠোট গোলপি করার ১০টি কার্যকরী ঘরোয়া উপায় এবং টিপস

৩. ত্বক ভালো রাখে: ক্ষতিগ্রস্ত ত্বকের টিস্যু মেরামত করে এবং ত্বক উন্নত করতে ব্রকলিতে থাকা গ্লুকোরাফানিন বৈশিষ্ট্য অনন্য। ব্রকলিতে রয়েছে ভিটামিন কে ও ভিটামিন সি, যা চুল ও ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে থাকে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করে থাকে।

৪. ওজন নিয়ন্ত্রণ: ওজন কমানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ব্রকলি। এতে ফাইবার ও পানির পরিমাণ বেশি থাকায় এটি খেলে অন্য খাবারের আসক্তি কমে। বেশি আয়রন থাকায় ডায়েটের সময় ব্রোকলি খেলে ঝিম ধরা ভাব দূর হয়।

আরও পড়ুন>>মন খুলে কান্না করুন সুস্থ থাকুন

৫. হার্ট ভালো রাখে: সালফোরাফেন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভালো কোলেস্টেরল এইচডিএলের মাত্রা বাড়িয়ে হৃৎপিণ্ডকে বিভিন্ন হৃদরোগের থেকে রক্ষা করে। ব্লাড সুগারের মাত্রা কমায়। এছাড়া গ্যাসট্রিক আলসার ও গ্যাসট্রাইটিস প্রতিরোধে দারুণ কার্যকর ব্রোকলি।

৬. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ, জ্বর, মুখের ঘা, সর্দি-কাশি ইত্যাদি আরও অনেক রোগ প্রতিহত করে। এতে থাকা সেলিনিয়াম দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

ব্রকলি যেভাবে খাবেন:
ব্রকলি কাঁচা বা সিদ্ধ করে খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়। ব্রকলি অনেকক্ষণ ধরে রান্না করলে এর পুষ্টি উপাদান হ্রাস পায়। তাই এটি ভাপে সেদ্ধ করা ভালো।এছাড়া সালাদ বা স্যুপ বানিয়েও ব্রকলি খাওয়া যায়। তবে একটানা না খেয়ে সপ্তাহে ৩-৪ দিন খেলে পুষ্টিগুণ পর্যাপ্ত পাওয়া যাবে।

google-news-channel-newsasia24

Follow

কালচে ঠোট গোলপি করার ১০টি কার্যকরী ঘরোয়া উপায় এবং টিপস

নিউজ এশিয়া২৪ ডেস্ক: মুখের সৌন্দর্যের অন্যতম অঙ্গ ঠোঁট। অতিরিক্ত প্রসাধনীর ব্যবহার, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার কারণে ঠোঁটে কালচেভাব দেখা দেয়। বেশীরভাগই অযত্নের কারণে অনেকেরই ঠোঁট কালো হয় থাকে। এছাড়াও ঠোঁটের যত্নে সঠিক পণ্য ব্যবহার করা হয় না বিধায় ঠোঁট কালো হতে পারে।

ছেলেদের ঠোটের রং নানা কারণেই কালচে হয়ে যেতে পারে। সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি, ধূমপান, চা-কফি পান এবং বয়স ইত্যাদি বিভিন্ন কারণের ছেলেদের ঠোঁটে কালচে ভাব চলে আসে। কিন্তু এই সমস্যারও সমাধান রয়েছে।

ঠোঁটের কালচে ভাব দূর করে ঠোঁটে পুনরায় গোলাপি আভা আনতে আছে কিছু প্রাকৃতিক ও সহজ পদ্ধতি-

হলুদ: ত্বক উজ্জ্বল করার গুণের জন্য সুপরিচিত হলুদ। আধা চা-চামচ হলুদের সঙ্গে আধ চা-চামচ দুধ মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই মিশ্রণটি নিয়মিত ঠোঁটে মালিশ করলে কালচেভাব দূর হয়।

লেবু: ঠোঁটে লেবু ঘষা কালচেভাব দূর করতে সহায়ক। এর প্রাকৃতিক ব্লিচিং ঠোঁটের কালো দাগ কমায় ও মসৃণভাব আনে।

শসা: শসার রস শীতলকারক এবং ত্বকের কালচেভাব দূর করতে পারে। ত্বকের শুষ্কতা দূর করে আর্দ্রতা বজায় রাখতেও সহায়তা করে।

জলপাইয়ের তেল: রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ঠোঁট জলপাইয়ের তেল দিয়ে মালিশ করা উপকারী। এটা ঠোঁটের রং হালকা করে পাশাপাশি ঠোঁটের আর্দ্রতা বজায় রাখে এবং মসৃণ করে তোলে।

অ্যালোভেরা: অ্যালোভেরা ত্বকের ‘মেলানিন’ কমায়। তাজা অ্যালো ভেরা ঠোঁটে মালিশ করুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন, উপকার পাবেন।

নারিকেল তেল: ঠোঁটের কালচেভাব দূর করার সবচেয়ে সস্তা ও সহজ উপায় হল নারিকেল তেল ব্যবহার। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে আঙ্গুলের সাহায্যে নারিকেল তেল ঠোঁটে ব্যবহার করুন, কালচেভাব কমে যাবে।

গোলাপ জল: আধ চা-চামচ গোলাপ জলের সঙ্গে মধু মিশিয়ে তা দিনে দুবার ঠোঁটে ব্যবহার করুন। নিয়মিত ব্যবহারে কালোদাগ দূর হবে।

মধু: মধু একটি প্রাকৃতিক উপাদান যা ত্বককে উজ্জ্বল করতে সহায়তা করে। রাতে ঘুমানোর আগে সামান্য একটু মধু নিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন সারারাত। কয়েক সপ্তাহ এভাবে প্রতিদিন শোবার পূর্বে ঠোঁটে মধু লাগান। খুব দ্রুতই ঠোঁটের কালচে ভাব দূর হতে দেখবেন।

আরও পড়ুন: 

বরফ : যেকোনো দাগের ওপর বরফ ঘষলে দাগ হালকা হয়ে যায়। ঠোঁটে এক টুকরো বরফ ঘষুন প্রতিদিন। এতে আপনার ঠোঁটের কালচে ভাব দূর হবে। বরফ ঠোঁটের আদ্রর্তার পরিমান ঠিক রেখে ঠোঁটকে রুক্ষতার হাত থেকেও পরিত্রান দেবে।

চিনি : প্রাকৃতিক স্ক্রাবার হিসেবে চিনি ব্যবহার করা হয় অনেক কাজেই। চিনি দিয়ে ঠোঁট স্ক্রাব করলে ঠোঁটের কালচে ভাব দূর হওয়ার সাথে সাথে ঠোঁটের মরা চামড়াও দূর হয়। ৩ চামচ চিনি ও ২ চামচ বাটার একসাথে মিসিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করে নিন। সপ্তাহে অন্তত ২ বার এই পেস্টটি দিয়ে ঠোঁট স্ক্রাব করুন। এতে আপনার ঠোঁটের মরা চামড়া দূর হবে এবং কালচে ভাব দূর হয়ে ঠোঁটে গোলাপি আভা আসবে।

google-news-channel-newsasia24

google-news-follow-us-newsasia24

আরও পড়ুন:

 

মন খুলে কান্না করুন সুস্থ থাকুন

লিমা পারভীন: মানুষের প্রথম ভাষা হচ্ছে কান্না। সেই ক্ষেত্রে কান্নাকে পৃথিবীর প্রথম ভাষা বলা যেতেই পারে। কান্নার ভাষা সর্বজনীন। সব ভাষার মানুষ কাঁদে। কান্নার ভাষা সব ভাষাভাষি বোঝে।

একজন নবজাতকও নিজের অস্তিত্ব জানান দেয় কান্নার মাধ্যমে। এটা তার সুস্থতার প্রকাশ। মনে দুঃখ, কষ্ট বা আনন্দে মানুষ কাঁদে।

মনোবিদদের মতে, চোখের পানি ফেলার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলা হয়েছে, কান্নায় বেদনা প্রশমিত হয় এবং মানুষকে কোনো সমস্যা থেকে সেরে উঠতে সহায়তা করে। কান্না আসলে একটি ইমোশনাল থেরাপি। উদ্বেগ কমায় ও হতাশা থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে।

Open-your-mind-cry-stay-healthy-newsasia24

না কেঁদে দীর্ঘসময় ধরে দুঃখ বা মানসিক চাপ চেপে রাখলে মস্তিস্কের ওপর খারাপ প্রভাব পড়তে পারে। তাই মন খুলে কাঁদুন সুস্থ থাকবেন ভালো থাকবেন। কান্না পেলে তা আটকানোর প্রয়োজন নেই বরং কেঁদে নেওয়াই ভালো।

কান্নার কয়েকটি উপকারিতা চলুন জেনে নেওয়া যাক:

১. চোখ পরিষ্কার করে: কান্নার সময় চোখের পানি আমাদের মণি আর চোখের পাতা ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করে দেয়। এটি আমাদের চোখযুগলকে পানিশূন্যতা থেকেও বাঁচায়। ফলে চোখ পরিষ্কার রাখতে আর দৃষ্টি পরিষ্কার করতে সাহায্য করে কান্না।

২. ব্যাকটেরিয়া দূর করে: চোখের পানিতে থাকে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস দূর করার উপাদান। রাস্তা-ঘাটে, বাসে-ট্রাকের ধুলাবালি থেকে সারা দিনে চোখের ভেতর কত ময়লাই না জমা হচ্ছে। এগুলো থেকে বিভিন্ন জীবাণু চোখ যুগলের বাসা বাঁধতে পারে। কিন্তু চোখের পানি এসব ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের জীবাণু ধ্বংসে খুবই কার্যকর। চোখের পানিতে থাকা আইসোজাইম ৫-১০ মিনিটেই চোখের প্রায় ৯০-৯৫ শতাংশ ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলতে পারে।

৩.মন উদ্দীপ্ত করে: কান্নায় মন ভালো হয়। কারণ কান্নায় শরীরে ম্যাঙ্গানিজের মাত্রা কমে যায়। এই ম্যাঙ্গানিজ বেশি মাত্রায় জমতে থাকলে উদ্বেগ, অস্বস্তি, রাগ-ক্ষোভ বেড়ে যাওয়াসহ নানা আবেগী ঝামেলা করে। কিন্তু কান্না করতে পারলে শরীর ও মন হালকা হয়।

আরও পড়ুন:

৪.ঘুম ভালো হয়: কান্নার সময় মানুষের শরীরে এমন কিছু হরমোন ক্ষরণ হয় যা ঘুমানোর সময় শরীরকে আরাম দেয়।

৫.আবেগজনিত চিকিৎসা: কান্না বাস্তবে একটা চিকিৎসার মতো। এটা উদ্বেগ কাটায়, বিষণ্নতা দূর করে। আবেগে কেঁদে ফেলতে পারা অনেক কারণেই মন ও দেহের জন্য উপকারী। দীর্ঘদিন ধরে আবেগ চেপে রাখা ক্ষতিকর। এতে মনের ভেতর জমে ওঠে নানামুখী চাপ। এটি মস্তিস্কেও বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। আর এ পরিস্থিতি সামলাতে প্রয়োজন কান্না।

google-news-channel-newsasia24

Follow

ডিপ ফ্রিজে বিষ হয় যে খাবারগুলো

লিমা পারভীন: খাবার সংরক্ষণের উদ্দেশে গৃহিনীরা বিভিন্ন খাবার ফ্রিজে রাখেন। এতে স্বাদ কমলেও খাবার নষ্ট হয় না। দীর্ঘদিন এভাবে রেখে খাবার খাওয়া যায়। কিন্তু ডিপ ফ্রিজে দীর্ঘদিন খাবার রাখলে স্বাদ নষ্ট হয়। আবার চার ধরনের খাবার আছে যা ফ্রিজে রাখলে বিষাক্ত হয়ে যায় । এসব বিষয়ে সবাইকে সকর্ত থাকতে হবে।

ফ্রিজে রাখলে বিষাক্ত হয়ে যায়, এমন ৪টি খাবারের নাম নিচে দেওয়া হলো—

১. পেঁয়াজ: পেঁয়াজ অনেকে কেটে ফ্রিজে রেখে দেন। পেঁয়াজ পরিবেশে থাকা ব্যাকটেরিয়া গ্রাস করে। রোগীর ঘরের এক কোনায় থেকেও পেঁয়াজের একটি টুকরা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া আকর্ষণ করতে পারে। তাই পেঁয়াজের ওপর ছত্রাক দেখা না গেলেও ফ্রিজে থাকা সব ব্যাকটেরিয়া এতে বাসা বাঁধতে পারে। বিভিন্ন জরিপ থেকে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকেরা বছরে মাত্র এক থেকে দুবার ফ্রিজ পরিষ্কার করেন। নিয়মিত পরিষ্কার না করার কারণে ফ্রিজে ব্যাকটেরিয়া বাসা বাঁধতে পারে। আর এগুলোই খাবারের সঙ্গে মিশে যায়। তাই কাটা পেঁয়াজ ফ্রিজে রাখা মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়। রান্নার কিছুক্ষণ আগে পেঁয়াজ কেটে ব্যবহার করতে হবে।

Food-that-is-kept-in-deep-freezer-becomes-poison2-newsasia24

২. রসুন: রসুন কেটে ব্লান্ডারে বেটে গৃহিনীরা ফ্রিজিং করে রাখেন। রসুনের খোসা ছাড়িয়ে ফ্রিজে রাখলে তা বিষাক্ত হয়ে যেতে পারে। কারণ, এটি ফ্রিজের আর্দ্র বাতাস থেকে জলীয় বাষ্প শুষে নেয় এবং এতে তাড়াতাড়ি ছত্রাক (খাবারে ছাতা পড়ে) জন্ম নেয়। রসুনের এই ছত্রাক দেহের ক্যানসারের সঙ্গেও সম্পর্কিত। তাই সব সময় সতেজ রসুন কিনতে হবে এবং শুধু ব্যবহারের আগেই খোসা ছাড়ানো উচিত। রসুন সব সময় শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করা উচিত। খোসা ছাড়ানো রসুন একটি কাচের বয়ামে ভালো করে ঢাকনা লাগিয়ে রাখতে পারেন। এ ছাড়া খোসা ছাড়ানো রসুন ভিনেগারে চুবিয়ে ফ্রিজে সংরক্ষণ করা যায়।

৩. ভাত: অনেকে রান্না করা ভাত ডিপ ফ্রিজে রেখে দেন। এটি ঠিক নয়। ভাতে দ্রুত ছত্রাক জন্মে। আর ভাত যদি ফ্রিজে রাখতেই হয়, তাহলে ২৪ ঘণ্টার বেশি রাখা যাবে না।

আরও পড়ুন:

৪. আদা: আদা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এটি ঠান্ডা-কাশি প্রশমনে সাহায্য করে। তবে একে ভুলভাবে সংরক্ষণ করলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। ফ্রিজের ঠান্ডা ও আর্দ্রতার সংস্পর্শে আদায় ছত্রাক জন্মে। এসব ছত্রাকযুক্ত আদা বিষাক্ত। এগুলো খেলে কিডনির ক্ষতি হতে পারে। এমনকি এই ছত্রাক কিডনি বিকল করে দিতেও ভূমিকা রাখতে পারে।

google-news-channel-newsasia24

Follow

বাসি ভাত গরম করে খেলে যা হয়

লিমা পারভীন: ব্যস্ততা, আলসেমি অথবা মিতব্যয়ী যেকোনো কারণেই হোক, আপনি হয়তো রাতে থেকে যাওয়া ভাতগুলোই সকালে-দুপুরে গরম করে খাচ্ছেন। কিন্তু এমনটা করলে আপনার শরীরে বাসা বাঁধতে পারে নানা রোগ।

বাসি ভাত গরম করে খেলে কী কী হতে পারে জেনে নিন-

ভাত বারবার গরম করলে তার পুষ্টিগুণ চলে যায়। বাড়ে নানা অসুখের ঝুঁকি। ডায়রিয়া থেকে শুরু হতে পারে নানা জটিল অসুখ। ঠান্ডা ভাতে প্রচুর ব্যাকটেরিয়া জন্মায়। যা গরম করলেও মরে না, বরং ক্ষতি আরও বেশি হয়।

বাসি ভাত গরম করে খেলে যে অসুখ হয় তাকে ফ্রায়েড রাইস সিনড্রোম বলে। ঠাণ্ডা ভাতে জন্ম নেওয়া বেসিলাস সেরেয়াস এই রোগ তৈরি করে। যা পেটের জন্য বেশ পীড়াদায়ক হতে পারে।

আরও পড়ুন:

যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগ এনএইচএস বলেছে, ভাত গরম করে খেলে ফুডপয়জনিং এর শঙ্কা বহুলাংশে থাকে। আর অবশ্যই একবার রান্না ভাত একাধিকবার গরম করা যাবে না। ভাত বারবার গরম করে খেলে বমি বমি ভাব হতে পারে। সেই সঙ্গে হতে পারে ডায়রিয়াও।

ম্যানচেষ্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানিয়েছেন, বাসি ভাত গরম করে খেলে হৃদরোগের সম্ভাবনা বাড়ে।

google-news-channel-newsasia24

Follow

সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের কারনে হতে পারে বৈবাহিক বিচ্ছেদ

লিমা পারভীন: বর্তমানে সবাই সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্ত। আসলে কর্মব্যস্ত এই জীবনে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেই মানুষ সামাজিক হতে চায়। অনেক পুরোনো স্মৃতিও ফিরিয়ে আনে সোশ্যাল মিডিয়া। তবে এই সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে বহু সম্পর্কের মধ্যেই কিন্তু ফাটল দেখা দেয়।

বৈবাহিক সম্পর্ক, পারিবারিক জীবন, লাভ লাইফ, বন্ধু-বান্ধব, সব সম্পর্কেই বাড়ছে দূরত্ব। অনেক ক্ষেত্রে এই সোশ্যাল মিডিয়া থেকেই জন্ম নেয় সন্দেহ। আর সেই সন্দেহ থেকেই শুরু হয় বাদ-বিবাদ। এমনকি সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের জন্য সম্পর্কে বিচ্ছেদও ঘটে।

Divorce-due-to-social-media-use-newsasia24

বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ক্ষেত্রে কয়েকটি ভুল করলে সম্পর্কের বিচ্ছেদ হতে পারে। জেনে নিন কী কী-

১. সোশ্যাল মিডিয়ার অতিরিক্ত ব্যবহার: অবসর পেলেই সঙ্গীকে ছেড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মনোযোগ দেন অনেকেই। এরপর ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় কাটান সোশ্যাল মিডিয়ায়। আপনার এই অভ্যাস সঙ্গীর ভালো না লাগাই স্বাভাবিক। সঙ্গী পাশে থাকার সময়ও যদি আপনি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন বা সঙ্গী যদি সব সময় আপনাকে অনলাইনে অ্যাকটিভ দেখেন তাহলে বিবাদ হতেই পারে। এজন্য সঙ্গী পাশে থাকলে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার ত্যাগ করুন।

২. সঙ্গীর পোস্টে লাইক ও কমেন্ট না করা: বন্ধু-বান্ধব থেকে আত্মীয়-স্বজন সবার পোস্টেই হয়তো আপনি লাইক ও কমেন্ট করেন, তবে ভালোবাসার মানুষের কোনো পোস্ট দেখলেই হয়তো তা এড়িয়ে যান। এই ভুল করবেন না আর। সঙ্গী সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো কিছু পোস্ট করলে তাতেও লাইক-কমেন্ট করুন। তবেই আপনাদের মধ্যে বাড়বে ঘনিষ্ঠতা। সম্পর্ক হবে দৃঢ়। আর অন্যান্যরাও আপনাদের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করবেন।

আরও পড়ুন>>খালিপেটে দুধ চা খেলে কী কী সমস্যা হতে পারে, জেনে নিন?

৩. সঙ্গীর সঙ্গে ছবি পোস্ট না করা: সোশ্যাল মিডিয়ায় মাঝেমধ্যে আপনার সঙ্গীর সঙ্গে তোলা ছবি শেয়ার করুন। সুন্দর ক্যাপশন দিন। তবেই তো খুশি হবে আপনার ভালোবাসার মানুষ।

৪. সঙ্গীর পোস্ট দেখে হিংসা করা: সোশ্যাল মিডিয়ায় সঙ্গীর করা পোস্টে লাইক বা কোনো কমেন্ট দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে নিজেদের মধ্যে ঝগড়া বা অশান্তি ডেকে আনবেন না। এই বিষয়টিকে খুব সহজভাবে দেখুন।

আরও পড়ুন>>রাতে জ্বর আসার কারন কী ?

৫.মুখোমুখি কথা না বলা: ফোনে কথা বলা বা অনলাইন কমিউনিকেশনে অনেক সময় মনের ভাব ঠিকমতো প্রকাশ করা যায় না, ফলে ভুল বোঝাবুঝি আরও বাড়ে। সেখান থেকেই বিতর্কের জন্ম হয়। তাই সঙ্গীর সঙ্গে সামনাসামনি কথা বলুন। এতে আপনারা একে অপরের আবেগ, অনুভূতি বুঝতে সক্ষম হবেন।

আরও পড়ুন>>শিশুদের দেরীতে কথা বলার কারন কী ?

৬. গোপনীয়তা বজায় না রাখা: সোশ্যাল মিডিয়া মানুষকে ব্যক্তিগত তথ্য ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে উৎসাহিত করে। তবে অনেকে না বুঝেই নিজেদের ব্যক্তিগত বিষয় বা অন্তরঙ্গ মুহূর্তগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে ফেলেন। যা একেবারেই করা উচিত নয়। গোপন বিষয় সব সময় নিজেদের মধ্যে রাখা উচিত। গোপনীয়তার অভাবেই একে অপরের প্রতি বিশ্বাস ভেঙে যেতে পারে।

google-news-channel-newsasia24

Follow

খালিপেটে দুধ চা খেলে কী কী সমস্যা হতে পারে, জেনে নিন?

লিমা পারভীন: বর্তমান সময়ে অনেকেই সকালে উঠে খালিপেটে এক কাপ গরম গরম দুধ চায়ে চুমুক দেন। এতে করে সকাল সকাল এনার্জি পাওয়া যায় বলে মনে করেন অনেকেই। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে দুধ চা খাওয়া এমনিতেই ভালো না তারউপর নিয়মিত সকালে খালি পেটে দুধ চা খেলে একাধিক জটিল অসুখের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।এনার্জি বেড়ে যায়।

প্রতিদিন খালি পেটে দুধ চা খেলে হজমের সমস্যা, পেট ফাঁপার মত সমস্যা দেখা দেয়। এমনকি অনিদ্রার সমস্যাও হয়। খাবার খাওয়ার অন্ততপক্ষে ৩০ মিনিট পরে দুধ চা খাওয়া উচিত। এতে করে গ্যাস-অ্যাসিডিটি সমস্যার শঙ্কা কমবে।

দুধ-চিনি মেশানো চায়ের স্বাদ বেশি ভালো হলেও চায়ের মধ্যে লাল চা বেশি উপকারী। এজন্য গবেষকরা হালকা লাল চা পানের কথাই বেশি বলেন। ​চায়ে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভাণ্ডার। আর এই উপাদান শরীরে প্রদাহ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আরও পড়ুন:

বিশেষজ্ঞদের মতে সুস্থ থাকতে চাইলে দুধ চা এড়িয়ে চলাই শ্রেয়। এ ছাড়া সকালে খালিপেটে দুধ চা খেলে গ্যাস-অ্যাসিডিটির সমস্যা বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এমনকী খালিপেটে দুধ চা খেলে ক্রনিক গ্যাসট্রাইটিসের সমস্যা ও হতে পারে।

তাই এসব সমস্যা থেকে বাঁচতে চাইলে রোজ সকালে খালিপেটে দুধ চা খাওয়ার অভ্যাস পরিবর্তন করা উচিত। তবে রং চায়ে চিনি না মিশিয়ে খাওয়া ভালো। এতে করে ওজন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ডায়াবেটিসও বশে থাকবে।

google-news-channel-newsasia24

Follow

রাতে জ্বর আসার কারন কী ?

লিমা পারভীন: রাতে জ্বর হওয়া সাধারণ কোনও বিষয় নয়। জ্বরের কারণে কেবল রাতে আপনার অস্বস্তি হয় না, সকালেও মধ্যে ক্লান্তি অনুভব করেন। জ্বরের কারণ হতে পারে অনেক কিছু। তাই জ্বর আলাদা কোনও রোগ নয়, বরং একে লক্ষণ বলাই শ্রেয়।

অনেক সময় আমাদের হঠাৎ করে শুধু রাতে জ্বর আসে। দিনের বেলা আপনি দিব্যি সুস্থ্য। অথচ, রাত হলে জ্বর চলে আসে।সারা রাত ছটফট করেন, ঘুম হয়না ও সকালে ক্লান্ত বোধ করেন।

আসুন জেনে নেই রাতে জ্বরের কারণগুলো,

বাহ্যিক পাইরোগেনস: পাইরোগেনগুলি জ্বরজনিত উপাদান, সাধারণত এন্ডোটক্সিনের মতো জীবাণু থেকে প্রাপ্ত। এই পাইরোগেনগুলি বাইরে থেকে আপনার শরীরে প্রবেশ করে এবং রাতে জ্বরে আক্রান্ত হয়।

What-is-the-cause-of-fever-at-night2-newsasia24

ব্যাকটিরিয়া সংক্রমণ: ব্যাকটিরিয়া সংক্রমণও রাতের জ্বরের জন্য দায়ী। ব্যাকটিরিয়া বা ছত্রাকের কারণে এন্ডোকার্ডাইটিস, যক্ষা হতে পারে। যার কারণে রাতে আপনার জ্বর হতে পারে।

আরও পড়ুন>>শিশুদের দেরীতে কথা বলার কারন কী ?

স্ট্রেস: কখনও কখনও স্ট্রেস এবং ক্লান্তি থেকেও রাতে হঠাৎ জ্বরও সৃষ্টি করে। তাই নিজেকে চাপ থেকে দূরে রাখুন এবং কেবল নিজের শারীরিক সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করুন। যাতে রাতে জ্বরের কোনও অবস্থা না হয়।

মূত্রনালীর সংক্রমণ: আপনার যদি মূত্রনালীর সংক্রমণ হয় তবে আপনি কেবল রাতে জ্বর আসতে পারে। আপনার যদি মূত্রনালীর সংক্রমণ সমস্যা হয় তবে এই বিষয়ে যত্ন নিন।

অ্যালার্জি: অ্যালার্জি হলেও রাতে জ্বর হতে পারে। কিছু ওষুধ থেকেও এই এলার্জি থাকতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

আরও পড়ুুুুুুুুুুন>>কিশমিশের ৭ টি উপকারিতা

ত্বকের সংক্রমণ:  আপনি হয়ত বিশ্বাস করবেন না, তবে ত্বকের সংক্রমণও রাতে জ্বর হতে পারে। যখন কোনও ব্যক্তির দীর্ঘ সময় ধরে ত্বকে সংক্রমণের সমস্যা থাকে, তখন রাতে জ্বর হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ: গলা ব্যথা, সর্দি-কাশি থেকেও রাতে জ্বর হতে পারে। কখনও কখনও এটি কয়েক দিনের মধ্যে নিরাময় হয়, তবে হালকাভাবে নেওয়া গেলে এই সংক্রমণ সহজে যায় না এবং পরে চিকিত্সকের সঙ্গে পরামর্শ করতে হয়।

রাতে জ্বর আসলে সকালে কেন জ্বর নেমে যাওয়ার কারন,

যদি রাতে উচ্চ জ্বর হয়, তবে এটি প্রায় সকালে চলে যায় এবং আপনি সারা দিন ধরে ভালো অনুভব করেন। তবে ভোরে এই জ্বর কীভাবে নিরাময় হয় তা ভাবার বিষয়। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যে দিনের বেলাতে আপনার প্রতিরোধক কোষগুলি কাজ করতে সক্ষম।

আরও পড়ুন>>ভিটামিন ই ক্যাপসুলের পরিবর্তে খান এই ৫ খাবার

যার ফলে এটি দিনে জ্বর বা সর্দি হওয়ার সম্ভাবনা কম করে। তবে রাতের বেলা, রোগ প্রতিরোধক কোষগুলি অনেক কম সক্রিয় থাকে যা শরীরে উপস্থিত ব্যাকটেরিয়াগুলি ধ্বংস করার আশায় আপনার দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে। যার ফলে জ্বর হয়।

google-news-channel-newsasia24

Follow

শিশুদের দেরীতে কথা বলার কারন কী ?

লিমা পারভীন: শিশুর মুখে আধো আধো বুলি শুনতে সবারই ভালো লাগে। কিন্তু শিশুটি যদি স্বাভাবিক সময় কথা না বলে, তা এক বিরাট দুশ্চিন্তার বিষয়। শিশুদের দেরীতে কথা বলার বিভিন্ন কারন রয়েছে ।

বর্তমানে শিশুদের দেরিতে কথা বলা বাবা-মায়ের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাকি সবকিছুই হয়ত ঠিকঠাক, কিন্তু একদমই কথা বলতে অনাগ্রহী ছোট্ট সন্তান।

শিশুর দেরিতে কথা বলার কারণ:

১. শহরের একক পরিবার: গ্রামের তুলনায় শহরের শিশুরা দেরিতে কথা বলে। গ্রামের শিশুরা মানুষের সাথে, অন্য বাচ্চাদের সঙ্গে মেশে, মোবাইল ফোন বেশি হাতে পায় না। কিন্তু শহরে বেশিরভাগই ছোট পরিবার, অন্যদের সাথে মেশার সুযোগ কম তাই শিশু কথা বলে দেরীতে। এছাড়া বাবা-মা চাকরিজীবী হলে শিশুর সঙ্গে বাবা-মায়ের কম কথা বলাও শিশুর দেরিতে কথা বলার কারণ।

What-are-the-reasons-for-children-to-speak-late2-newsasia24

২. মোবাইল ফোন: বর্তমান সময়ে বেশীরভাগ শিশুর দেরিতে কথা বলা বা কথা কম বলার পেছনে দায়ী মোবাইল ফোন। এক বছর বয়সে অনেক শিশু কথা বলা শিখতে শুরু করার পর দেখা গেছে দুই বছর বয়সে এসে তা কমে যাচ্ছে। এর কারণ শিশুর ওপর মোবাইল ফোনের প্রভাব।

৩. ডাউন সিনড্রোম: ডাউন সিনড্রোমে শিশুর শরীর তুলতুলে নরম ও মুখমণ্ডলের ধরন আলাদা থাকে। এই শিশুদের বুদ্ধি হয় না, হাঁটা, বসা, চলাফেরা করতে পারে না এবং তারা কথাও দেরিতে বলে।

৪. সেরিব্রাল পালসি: জন্মের সময় কান্না করতে দেরি হওয়ার কারণে মস্তিষ্কে অক্সিজেন কমে যায়, মস্তিষ্ক কাজ করে না। যার ফলে হাঁটা ও বসার মতো কথা বলাও দেরিতে হয়, এ ধরনের শিশুর বুদ্ধি কমে যায়।

আরও পড়ুন:

৫. অটিজম: অটিজম শিশুদের আচরণগত অসুবিধা দেখা যায়। শিশু এক জায়গায় বসে থাকে না, নিজের মতো চলে। অন্য শিশুদের সঙ্গে মেশে না, কথা বলে না, কিছু আচরণ করে যা অন্য বাচ্চারা করে না। এক্ষেত্রে এ ধরনের শিশুদের কথা বলতেও দেরি হয়।

৬. জন্মগত সমস্যা: এছাড়া শিশুর জন্মগতভাবে ঠোঁট কাটা, তালু কাটা থাকলে কিংবা শিশু কানে কম শুনে, এমন শিশুদের কথা বলতে দেরি হয়।

google-news-channel-newsasia24

Follow

কিশমিশের ৭ টি উপকারিতা

লিমা পারভীন: স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে অন্যতম উপকারী খাবার হচ্ছে কিশমিশ। কিশমিশ খালি মুখে বা পানি দিয়ে ভিজিয়ে খেলে স্বাস্থ্য এর জন্য অনেক উপকার ।

বিভিন্ন খাবারে কিশমিশ যোগ করলে যেন খাবারের স্বাদও কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এছাড়া চীনাবাদাম, আলমন্ড বা কাজুবাদামের মতো অন্য ড্রাই ফ্রুটসের স্বাদ ভালো না লাগলে সেগুলোর সঙ্গে কিশমিশ চিবিয়ে খেতে পারেন। তাতে মিলবে বাড়তি স্বাদ।

আমাদের মধ্যে কিশমিশ অনেক পরিচিত হলেও এটির গুণাবলি অনেকেরই অজানা। জেনে নিন কিশমিশের উপকারিতা-

১. গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় উপকারী: কিশমিশে ভালো মাত্রায় পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে। আর এ উপাদানগুলো অ্যাসিডিটি কমাতে সাহায্য করে।

২. রক্তস্বল্পতায় উপকারী: কিশমিশে প্রচুর পরিমাণে আয়রন এবং ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স থাকে। এ কারণে এটি শরীরে রক্ত বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। বিশেষ করে, কিশমিশে থাকা তামা লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্য করে।

7-benefits-of-raisins-newsasia24

৩. হজমে উপকারী: নিয়মিত কিছু পরিমাণে কিশমিশ খেলে তা পেট ভালো রাখদতে সহায়তা করতে পারে। এতে ভালো পরিমানে ফাইবার থাকার কারণে তা পানির উপস্থিতিতে ফুলে উঠতে শুরু করে আর পেটে রেচক প্রভাব দেয় ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।

৪. ক্যান্সার প্রতিরোধে উপকারী: কিশমিশে ক্যাটেচিং নামের একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এটি শরীরকে ফ্রি র‌্যাডিক্যাল কার্যকলাপ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। আর অনেক সময় এ কার্যকলাপটি টিউমার এবং কোলন ক্যান্সারের কারণও হতে পারে।

৫. সংক্রমণ দূর করতে সাহায্য করে: কিশমিশে পলিফেনলিক ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট নামের একটি উপাদান থাকে। এটি মূলত একটি অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। সেই সঙ্গে এটি অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করায় তা জ্বরের ঝুঁকি কমাতে এবং ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত কিশমিশ খেলে তা ঠাণ্ডা এবং অন্যান্য সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে পারে।

আরও পড়ুুন:

৬. ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী: ত্বকের কোষকে যে কোনো ক্ষতি থেকে রক্ষা করেতে অনেক উপকারী বূমিকা পালন করে কিশমিশ। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের কোষ, কোলাজেন এবং ইলাস্টিনের ক্ষতি থেকে ফ্রি র‌্যাডিকেলগুলোকে বাধা দেয়। এর ফলে এটি বলি, সূক্ষ্ম রেখা ও ত্বকে দাগ দেখা দেওয়ার সমস্যাসহ বার্ধক্যের লক্ষণ অনেকটা বিলম্ব করতে সহায়তা করে।

৭. ওজন বৃদ্ধিতে উপকারী: ওজন বাড়াতে চাইলে সেরা একটি উপায় হতে পারে কিশমিশ খাওয়া। এই ড্রাই ফ্রুটে ফ্রুক্টোজ ও গ্লুকোজ থাকার কারণে এটি শরীরে প্রচুর শক্তি দিতে পারে।

google-news-channel-newsasia24

Follow