শিরোনাম

অর্থনীতি

ডিপিডিসির এশিয়ান পাওয়ার এ্যাওয়ার্ড -২০২৩ অর্জন

মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টার:  ৮ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত হওয়া আন্তর্জাতিক মর্যাদার এশিয়ান পাওয়ার এ্যাওয়ার্ড-২০২৩ অর্জন করেছে ডিপিডিসি। প্রথমবারের মত আন্তর্জাতিক মর্যাদার এশিয়ান পাওয়ার এ্যাওয়ার্ড-২০২৩ অর্জন করেছে ডিপিডিসি।

‘এশিয়ান পাওয়ার এ্যাওয়ার্ড’ (Asian Power Award) এর ১৯ তম  ‘এ্যাওয়ার্ড ডিনার’ (Award Dinner) প্রোগ্রাম এই বছর পাওয়ার ইন্ডাস্ট্রির অস্কার নামে পরিচিত এই পুরস্কারটি এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলের বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি খাতের জন্য একটি অত্যন্ত সম্মানজনক এবংমর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার।

এই অনুষ্ঠানে ‘এ্যাওয়ার্ড ডিনার’ (Award Dinner) প্রোগ্রামের মাধ্যমে এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলের বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি খাতের উদ্বোধনী ও যুগান্তকারী প্রকল্প এবং উদ্যোগকে স্বীকৃতি দেয়া হয় এবং  কর্মক্ষমতা এর ভিত্তিতে সেরাদের মধ্যে সেরা প্রতিষ্ঠানসমূহকে পুরষ্কৃত করে তাদের সাফল্যকে উদযাপন করা হয়।

dpdc-award-2023-newsasia24

‘এশিয়ান পাওয়ার এ্যাওয়ার্ড-২০২৩’  (Asian Power Award-2023) এর ১৯ তম আসরে ডিপিডিসি ‘পাওয়ার ইউটিলিটি অফ দি ইয়ার-বাংলাদেশ” (Power Utility of the Year-Bangladesh) এবং ইনোভেটিভ পাওয়ার টেকনলজি অফ দি ইয়ার-বাংলাদেশ‘ (Innovative Power Technology of the Year-Bangladesh)- এই দুই বিভাগে পুরষ্কার জিতেছে। পুরস্কার গ্রহণ করেন ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশনের এমডি বিকাশ দেওয়ান।

আরও পড়ুন: 

বাংলাদেশের মধ্যে ডিপিডিসিই একমাত্র পাওয়ার ইউটিলিটি যারা এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জিতেছে,এর আগে বাংলাদেশের কোনো পাওয়ার ইউটিলিটি এই পুরস্কার পায়নি।

আরও পড়ুন: 

বেতন বাড়লো পোশাক শ্রমিকদের

নিজস্ব প্রতিবেদক: পোশাক শ্রমিকদের বেতন বাড়ানো হয়েছে। এটি ডিসেম্বর থেকে কার্যকর করা হবে।

জানা গেছে, পোশাক শ্রমিকদের বেতন বাড়িয়ে ১২ হাজার ৫০০ টাকা করা হয়েছে। যা পূর্বের তুলনায় ৫৬ দশমিক ২৫ শতাংশ।

আজ মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান এ মজুরি ঘোষণা করেন ।

তিনি আরও জানান, আগামী ডিসেম্বরের ১ তারিখ হতে নতুন মজুরি কার্যকর হবে।

garments-emplye-newsasia24
ফাইল ছবি
আরও পড়ুন:

উল্লেখ্য, সর্বশেস ২০১৮ সালে পোশাক শ্রমিকদের বেতন নির্ধারন করা হযেছিল। সেসময় তাদের বেতন ছিল ৮ হাজার।

সেই তুলনায় তাদের বেতন বেড়েছে ৪ হাজা ৫০০ টাকা।

৩ জাতের বেদানা চাষে স্বাবলম্বী রাজশাহীর অন্ত

নিউজ এশিয়া২৪  ডেস্ক: ৩ জাতের বেদানা চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন, রাজশাহী সদরের ডিংগাডোবা এলাকার, আলিগঞ্জের মো: সারফোরাজ জোবায়েদ অন্ত।

বিস্তারিত ভিডিওতে……….

 

আরও দেখতে পারেন..
চার হাজার টন ওজনের ছয় হাজার বোমা মেরেছে ইসরায়েল !

 

বোনের বাড়িতে ভাইয়ের মৃত্যু

ফেসবুক: www.facebook.com/bdnewsasia24

কিছু সুবিধাভোগী লোকের জন্য বাজারে অস্থিরতা: ডিএমপি কমিশনার

নিউজ এশিয়া২৪ ডেস্ক: ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান বলেছেন, কিছু সুবিধাভোগী লোকের জন্য বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় কোনো পণ্যের বাজারে সংকট নেই। কিন্তু সমন্বয়ের অভাবের কারনে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) ডিএমপি সদরদপ্তরে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, বাজারে জিনিসপত্রের সংকট নেই অথচ দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা আড়ত থেকে মালামাল কিনলে তাদের রশিদ দেওয়া হয় না। আবার ওই ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে খুচরা ব্যবসায়ীরা মালামাল কিনলে তাদেরও রশিদ দেওয়া হয় না।

আরও পড়ুন:

তিনি বলেন, এখন সড়ক যোগাযোগ অনেক ভালো হওযার কারণে প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চল থেকেও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ঢাকায় চলে আসে। সে ক্ষেত্রে জিনিসপত্রের দাম কম হাওয়ার কথা।

সবজি উৎপাদনে সারাবিশ্বে বাংলাদেশ তৃতীয়। আমাদের এমন থাকার কথা নয়।

চাঁদাবাজির প্রসঙ্গে তথ্য পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

২০৮ কোটি ৮২ লাখ ৭০ হাজার টাকার সয়াবিন কিনবে সরকার

নিউজ এশিয়া২৪ ডেস্ক: ২০৮ কোটি ৮২ লাখ ৭০ হাজার টাকার সয়াবিন কিনবে সরকার। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে এই তেল কেনা হবে।

এতে ১ কোটি ৩০ লাখ লিটার সয়াবিন পাওয়া যাবে।

আজ বুধবার (৪ অক্টোবর) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ৩৩তম বৈঠকে এ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সাঈদ মাহবুব খান জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন টিসিবির জন্য ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ৫০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

তেল কেনা হবে সুপার ওয়েল রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে । এতে খরচ হবে ৭৯ কোটি ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

এ ছাড়াও ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে টিসিবির জন্য ৮০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনা হবে মেঘনা এডিবল ওয়েল রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে। যার ক্রয় মূল্য ১২৯ কোটি ৫৫ লাখ ২০ হাজার টাকা।

এর আগে ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির এ বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে টিসিবির জন্য ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ৮০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল সিটি এডিবল অয়েল লিমিটেড কেনার অনুমোদন দেয়া হয়। যার ক্রয় মূল্য ১২৮ কোটি ২৪ লাখ টাকা । এতে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম পড়বে ১৬০ টাকা ৩০ পয়সা।

ওইদিন আরেক প্রস্তাবে টিসিবির জন্য স্থানীয়ভাবে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ৬৫ লাখ লিটার রাইস ব্রান তেল ১০৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকায় কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এ ক্ষেত্রে প্রতি লিটারের দাম পড়বে ১৫৯ টাকা।

মজুমদার প্রোডাক্টস লিমিটেড এবং এমআরটি অ্যাগ্রো প্রোডাক্টস লিমিটেড থেকে এই তেল কেনার অনুমতি দেওয়া হয়।

খেলাপি ঋণের সঙ্গে বেড়েছে প্রভিশন ঘাটতি

নিউজ এশিয়া২৪ ডেস্ক: খেলাপি ঋণের সঙ্গে বেড়েছে প্রভিশন ঘাটতি। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুন শেষে ব্যাংক খাতে সার্বিক প্রভিশন ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৪৬৪ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হাল নাগাদ প্রতিবেদনে প্রভিশন ঘাটতির এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

তথ্য বলছে, আট ব্যাংকের মোট প্রভিশন ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৬ হাজার ১৩৪ কোটি টাকা। কয়েকটি ব্যাংক বেশি প্রভিশন সংরক্ষণ করার কারণে ব্যাংক খাতের মোট প্রভিশন ঘাটতি কিছুটা কমেছে।

তিন ধরনের খেলাপি ঋণ রয়েছে। ১) সাব স্ট্যান্ডার্ড (এসএস) বা মন্দ মানের খেলাপি ঋণ; ২) ডাউট ফুল (ডিএফ) বা সন্দেহজনক মানের ঋণ এবং ৩) ব্যাড অ্যান্ড লস (বিএল) বা কু ঋণ। তিন ধরনের খেলাপি ঋণের বিপরীতে যথাক্রমে ২০ শতাংশ, ৫০ শতাংশ এবং ১০০ শতাংশ পর্যন্ত ব্যাংকগুলোকে প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হয়।

এছাড়া অশ্রেণিকৃত ঋণের বিপরীতে পরিচালন মুনাফার শুন্য দশমিক পাঁচ থেকে পাঁচ শতাংশ পর্যন্ত প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হয়। প্রভিশন ঘাটতি থাকলে শেয়ার হোল্ডারদের মধ্যে লভ্যাংশ ঘোষণা করা যায় না।

এছাড়া অগ্রণী ব্যাংকের চার হাজার ৪৬৫ কোটি, বেসিক ব্যাংকের চার হাজার ৩১০ কোটি, রূপালী ব্যাংকের চার হাজার ৯৭ কোটি, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের ৫১৬ কোটি, ঢাকা ব্যাংকের ৪৩৯ কোটি, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ২০৪ কোটি ও এনসিসি ব্যাংকের ৪১৯ কোটি টাকার প্রভিশন ঘাটতি রয়েছে।

আরও পড়ুন: এবার সোনার দাম কমলো

প্রভিশন ঘাটতি থেকে বের হয়ে গেছে রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক। আর নতুন করে প্রভিশন ঘাটতিতে পড়েছে বেসরকারি এনসিসি ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংক খাতে সর্বোচ্চ প্রভিশন ঘটতি রয়েছে বেসরকারি খাতের ন্যাশনাল ব্যাংকে। ব্যাংকটির ঘাটতির পরিমাণ ১১ হাজার ৬৮২ কোটি টাকা।

ভারতের চাল রপ্তানি নিষিদ্ধকরণ ও শুল্ক আরোপ: চাল রপ্তানি কমবে ১৯ লাখ টন

দেশের ৮৫৬ টি পোশাক কারখানা ঝুঁকিপূর্ণ: সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ

এবার সোনার দাম কমলো

নিউজ এশিয়া২৪ ডেস্ক: এম এ হান্নান আজাদ জানান, ২২ ক্যারটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৭৫০ টাকা কমানো হয়েছে। এর ফলে এ ক্যাটাগরির সোনার নতুন মূল্য হবে ৯৮ হাজার ২১১ টাকা (প্রতি ভরি)। এতদিন যা ছিল ৯৯ হাজার ৯৬০ টাকা।

আজ শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্থানীয় বাজারে সোনার দাম কমেছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করেছে। রোববার ( ১ অক্টোবর) থেকে এটি কার্যকর করা হবে।অনেক দিন পর লাখের নিচে নেমেছে সোনার দাম।

নতুন মূল্য অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম হবে ৯৮ হাজার ২১১ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৩ হাজার ৭৭৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৮০ হাজার ৩৬৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ৬৬ হাজার ৯৫১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: হঠাৎ ভিসা স্যাংশন দিতে চাচ্ছে কী কারণে?

সোনার দাম বাড়ানো হ‌লেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ক্যাটাগরি অনুযায়ী বর্তমানে ২২ ক্যারেটের রুপার দাম (ভ‌রি) ১ হাজার ৭১৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের দাম ১ হাজার ৬৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১৪০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ১০৫০ টাকা।

আজকে পর্যন্ত ওই দাম অনুযায়ী ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা বিক্রি হয় ৯৯ হাজার ৯৬০ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৫ হাজার ৪১২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের সোনা ৮১ হাজার ৭৬৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনা ৬৮ হাজার ১১৮ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

ডাম্প ট্রাক কিনবে ডিএসসিসি

১০ থেকে ১৫ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে ডাল

 

১০ থেকে ১৫ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে ডাল

নিউজ এশিয়া২৪ ডেস্ক: রাজধানীর বাজারে ডালের দাম বেড়েছে। মসুর বড় দানা, ছোট দানা নির্বিশেষে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। মুগের ডালের প্রতি কেজিতে ১০ টাকা করে দাম বেড়েছে।

শনিবার ( ১৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁও ও মিরপুরের বিভিন্ন এলাকার বাজার ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

রাজধানীর বাজারে মসুর বড় দানা বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা কেজি; এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ৯৫ থেকে ১০০ টাকা। ছোট্ট দানা বিক্রি হচ্ছে বাজার ভেদে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা কেজি ; এক সপ্তাহ আগে বাজার ও ধরন ভেদে বিক্রি হয়েছে ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা।

মুগ ডাল বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকা থেকে ১৪০ টাকা; এক সপ্তাহ আগে ধরন ও বাজার ভেদে বিক্রি হয়েছে ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা।

এক সপ্তাহ আগের তুলনায় ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে ছোলা, অ্যাংকর, ডাবলি ও খেসারি ডালের। একই ডাল বাজার থেকে গলির দোকানে ৫ থেকে ৭ টাকা বেশি দাম।

ট্রেডিং কর্পোরেশনের (টিসিবি) শুক্রবারের ( ১৫ সেপ্টেম্বর) পণ্যের প্রদর্শিত বাজারের মূল্য তালিকায় বড় দানা মসুর প্রতি কেজির দাম দেখানো হয়েছে ১০৫ থেকে ১১০ টাকা। ছোট্ট দানার মসুর ডালের দাম দেখানো হয়েছে ১২৫ থেকে ১৩৫ টাকা। মুগ ডালের মান ভেদে বিক্রি দেখানো হয়েছে ৯৫ থেকে ১২৫ টাকা।

আরও পড়ুন:

ভারতের চাল রপ্তানি নিষিদ্ধকরণ ও শুল্ক আরোপ: চাল রপ্তানি কমবে ১৯ লাখ টন

দেশের ৮৫৬ টি পোশাক কারখানা ঝুঁকিপূর্ণ: সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ

ভারতের চাল রপ্তানি নিষিদ্ধকরণ ও শুল্ক আরোপ: চাল রপ্তানি কমবে ১৯ লাখ টন

নিউজ এশিয়া ডেস্ক: ভারতের চাল রপ্তানি নিষিদ্ধকরণ ও শুল্ক আরোপের ফলে বিশ্ববাজারে চাল রপ্তানি কমবে ১৯ লাখ টন। এটি থাকবে টানা দুই বছর। এর ফলে কিছু দেশ থেকে রপ্তানি বাড়লেও ঘাটতি পূরণ হবে না ভারতের।

সংস্থা জানায়, গত ২০ জুলাই ভারত সাদা চাল রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে। পরবর্তী সময়ে সিদ্ধ চালেও শুল্ক আরোপ করেছে। ফলে ২০২৩ ও ২০২৪ সালে বিশ্বে চালের বাণিজ্য কমবে। অনেক আমদানিকারক দেশ জরুরি ভিত্তিতে চাল কেনে।

২০২৩ সালে বিশ্বে চাল রপ্তানি ১৯ লাখ টন কমে হবে পাঁচ কোটি ৩৮ লাখ টন। এর মধ্যে ভারতের সরবরাহ ২০ লাখ টন কমে হবে দুই কোটি ৫০ লাখ টন। যদিও ২০২৩ ও ২০২৪ সালে এশিয়া ও সাব-সাহারা আফ্রিকার অনেক বড় দেশেরও আমদানি কমবে।

একইভাবে ২০২৪ সালে বিশ্বে চালের রপ্তানি ৩৪ লাখ টন কমে হবে পাঁচ কোটি ২৯ লাখ টন। এর মধ্যে ভারতের রপ্তানি ৪০ লাখ টন কমে হবে এক কোটি ৯০ লাখ টন। ২০২৪ সালে ভারতের রপ্তানি কমলেও সরবরাহ বাড়বে ব্রাজিল, পাকিস্তান, রাশিয়া ও ভিয়েতনামের।

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বাসমতী ছাড়া অন্যান্য সাদা চালের রপ্তানি আগেই নিষিদ্ধ করেছিল। এরপর গত শুক্রবার সিদ্ধ চাল রপ্তানিতেও ২০ শতাংশ শুল্কারোপ করে। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার মনে করছে, এবার বাসমতী চালের রপ্তানি মূল্য বেঁধে দেওয়ার কারণে সেই প্রবণতা কমবে। বৈশ্বিক বাজারে যে পরিমাণ চাল বেচাকেনা হয়, তার ৪০ শতাংশ সরবরাহ আসে ভারত থেকে।

আরও পড়ুন: দেশের ৮৫৬ টি পোশাক কারখানা ঝুঁকিপূর্ণ: সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ

মূলত সামনে ভারতের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে নির্বাচন, তার আগে স্থানীয় বাজারে চালের দাম যেন না বাড়ে, তা নিশ্চিত করতেই বিজেপি সরকার নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে।

সূত্র : রয়টার্স, ট্রেডিং ইকোনমিকস, ইউএসডিএ

দেশের ৮৫৬ টি পোশাক কারখানা ঝুঁকিপূর্ণ: সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ

নিউজ এশিয়া২৪ ডেস্ক: দেশের ৮৫৬ টি পোশাক কারখানা ঝুঁকিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। এই কারখানাগুলো এখনও মনিটরিং এর বাইরে, যা মোট কারখানার ২২ থেকে ২৩ শতাংশ।

আজ বুধবার (৩০ আগস্ট) ধানমন্ডির সিপিডি কার্যালয়ে ‘তৈরি পোশাক শিল্পে কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা : অর্জন ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম এসব কথা বলেন ।

তিনি আরও বলেন, এখনো দেশে অনেক গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি রয়েছে যেগুলো ঝুঁকিপূর্ণ। ১৮৮৭টি কারখানা আরএমজি সাসটেইনেবিলিটি কাউন্সিলের (আরএসসি) আওতায় মনিটরিংয়ের মধ্যে রয়েছে। আর ৩৫০টি কারখানা নিরাপদ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে ৬৫৯টি কারখানা রেমিডিয়েশন কো-অর্ডিনেশন সেলের (আরসিসি) আওতায় মনিটরিংয়ের আওতায় রয়েছে। সব মিলিয়ে আরএসিসি ও আরসিসির মনিটরিংয়ে রয়েছে ২ হাজার ৮৯৬টি কারখানা । কিন্তু ৮৫৬টি কারখানা বর্তমানে কোনো মনিটরিংয়ের আওতায় নেই। ৮৫৬টি কারখানাগুলোতে কাজ চলছে, রপ্তানিও হচ্ছে।

আরও পড়ুন: বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের আরও ধৈর্যধারণ করা উচিত: আইনমন্ত্রী

তাহলে ওই কারখানাগুলো মনিটরিং কে করবে? যা মোট কারখানার ২২-২৩ শতাংশ। যা ভবিষ্যতে ৩০ শতাংশ হতে পারে। কারখানাগুলো অ্যাসোসিয়েশনের বাইরে থাকতে পারবে না। কেননা এসব কারখানায় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে দায়ভার কে নেবে? বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ ওই কারখানার দায়ভার নেবে না। সব কারখানা যেন কোনো না কোনো সংগঠনের সঙ্গে দায়বদ্ধতায় থাকে।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন ।