শিরোনাম

স্বাস্থ্য

আজ ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১৭

নিউজ এশিয়া২৪ ডেস্ক: আজ (৯ নভেম্বর) ডেঙ্গুতে মারা গিয়েছে ১৭ জন। নতুন রোগী ভর্তি ১৭৩৪ জন।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

dengu jor

এনিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৪৪৯ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৭৩৪ জন ডেঙ্গুরোগী।

বর্তমানে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৬ হাজার ৩৬০ জন রোগী।

বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ মো. জাহিদুল ইসলাম সই করা ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

আরও পড়ুন:

বাবা-মায়ের ‘অসচেতনতায়’ ভয়াবহ রুপ নিচ্ছে মৃগী রোগ

নিউজ এশিয়া২৪ ডেস্ক: বিশ্বে ১০ বছরে প্রায় ১৫০ শিশুর মধ্যে একজনের মৃগী রোগ ধরা পড়ে।

বাংলাদেশে মৃগী রোগ প্রতি ১ হাজার জনে ৮ দশমিক ৪ জন।

শিশুদের মধ্যে মৃগীরোগ বেশি দেখা যায় । প্রতিটি ধরনের চিকিৎসা রয়েছে।

mirgi rog

তবে অনেক ক্ষেত্রেই বাবা-মায়ের ‘অসচেতনতায়’ ভয়াবহ আকার ধারণ করে মৃগী রোগ।

আজ বুধবার (৮ নভেম্বর) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে মৃগী সচেতনতা মাস উপলক্ষ্যে ইন্সটিটিউট অব পেডিয়াট্রিক নিউরো ডিসঅর্ডার অ্যান্ড অটিজম (ইপনা) আয়োজিত এক বৈজ্ঞানিক সেমিনারে এসব তথ্য জানানো হয়।

সেমিনারে শিশু নিউরোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. কাজী আশরাফুল ইসলাম একটি করে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধে বলা হয়, মৃগী রোগ বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে সাধারণ স্নায়ুবিক রোগ।

বিশ্বব্যাপী প্রায় ৫০ মিলিয়ন মানুষের মৃগীরোগ রয়েছে।

মৃগীরোগে আক্রান্ত প্রায় ৮০ শতাংশ লোক নিম্ন আয়ের দেশে বাস করে।

এটি অনুমান করা হয় যে মৃগীরোগে আক্রান্ত ৭০ শতাংশ পর্যন্ত মানুষ খিঁচুনি মুক্ত থাকতে পারে যদি সঠিকভাবে নির্ণয় এবং চিকিৎসা করা হয়।

এতে বলা হয়, কিছু মৃগীরোগ ওষুধের মাধ্যমে নিরাময়যোগ্য।

কিছু মারাত্মক ধরনের মৃগী রোগ আছে যা ওষুধের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন এবং মস্তিষ্কের বিকাশের ওপর প্রভাব ফেলে।

খিঁচুনির ওষুধ ছাড়াও কিছু বিকল্প চিকিৎসা রয়েছে।

বিকল্পগুলো হলো কিটোজেনিক ডায়েট, ইমিউনোথেরাপি, নিউরোস্টিমুলেশন, এপিলেপসি সার্জারি।

বক্তারা বলেন, মৃগী রোগ সম্পর্কে দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতার অভাব রয়েছে।

শিশুদের মৃগী রোগ শুরুতেই নির্ণয় করা সম্ভব হলে এবং যথাযথ চিকিৎসা শুরু হলে দীর্ঘমেয়াদি অক্ষমতা প্রতিরোধ সম্ভব।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

এসময় তিনি বলেন, সারা বিশ্বে ৫০ মিলিয়ন মানুষ মৃগী রোগে আক্রান্ত। এই রোগ যে কোনো বয়সের মানুষের হতে পারে।

উপাচার্য বলেন, এ রোগ যদি শুরুতে ধরা যায় ও চিকিৎসা দেওয়া যায় তাহলে সম্পূর্ণ সুস্থ করা সম্ভব ।

এ রোগের সব ধরনের চিকিৎসা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিশু নিউরোলজি বিভাগে রয়েছে।

শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের যত অর্জন সব কিছুই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার যোগ্য উত্তরসূরি দ্বারাই অর্জিত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কন্যা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অটিজম বিশেষজ্ঞ ড. সায়মা ওয়াজেদ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালক হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানাই।

আরও পড়ুন:

তার অনুমতি সাপেক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সংবর্ধনা দিতে চায়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইপনার পরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহীন আখতার।

সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন ইপনার ট্রেনিং কো-অর্ডিনেটর ডা. মাজহারুল মান্নান।

আপনার কি পিঠ ও কোমর ব্যাথা? জেনে নিন কারণ ও প্রতিকার..

নিউজ এশিয়া২৪ ডেস্ক: বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষ পিঠ ও কোমর ব্যাথায় ভুগছেন। এটি যেকোন বয়সেই হতে পারে। তবে দেখা যায়, পুরুষের থেকে নারীরা এই রোগে সবচেয়ে বেশি ভোগেন।

এই সমস্যার রোগী দিন দিন বেড়েই চলছে। গর্ভকালে অধিকাংশ নারীই পিঠ ও কোমর ব্যথায় ভোগেন। কারও কারও ক্ষেত্রে পরবর্তী সময়ে এই সমস্যা দীর্ঘ হয়।

গর্ভাবস্থায় পিঠ ও কোমরব্যথা হওয়ার অনেকগুলো কারন রয়েছে। গর্ভাবস্থায় শরীরের ওজন বাড়ে ফলে শরীর ভারী হয়। তাই পেশি ও সন্ধির ওপর চাপ বাড়ে।

ওস্টিওপরোসিস নামের একটি রোগ রয়েছে, যার জন্যও পিঠ ও কোমরে ব্যথা হতে পারে। যাদের ওজন বেশি, তাদেরও এই সমস্যায় ভুগতে দেখা যায়। সে ক্ষেত্রে ওজন কমিয়ে ফেলা এবং ব্যায়াম করলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

এছাড়াও শিক্ষার্থীরা টানা ক্লাস করছে এবং অনেকে ল্যাপটপ বা মোবাইলে অফিসের কাজ করছে । ফলে অনেকে নতুন করে পিঠ ও কোমরব্যথায় আক্রান্ত হচ্ছেন।

আরও পড়ুন: 

ডা. মো. রেজাউল করিম জানান, বেশি সময় ধরে কম্পিউটার বা মোবাইলের সামনে বসে না থেকে মাঝে মাঝে বিরতি নেওয়া উচিৎ।

অনেকেই ব্যাথা হলে ডাক্তারের পরামর্শ না নিয়েই ওষুধ সেবন করেন, এটি তার জন্য খুবই মারাত্বক হতে পারে। এটা মোটেও উচিৎ নয়। ব্যাথানাশক ওষুধের বিরুপ প্রতিক্রিয়া রয়েছে।

অনেকে ব্যাথার জন্য প্যারাসিটামল সেবন করেন, এর জন্য লিভার ফেল হতে পারে, অন্যদিকে, যাদের কিডনির জটিলতা রয়েছে তাদের জন্য আরও বিপজ্বনক প্রভাব পড়তে পারে। তাই কোন ওষুধই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া সেবন করা উচিৎ নয়।

কিডনিজনিত ব্যথা সাধারণত মেরুদণ্ড থেকে একটু দূরে ডান বা বাঁ পাশে হয়। এই ব্যথা নড়াচড়া করে এবং কোমরের দুই পাশেও যেতে পারে। এই ব্যথায় কিছুতেই আরাম পাওয়া যায় না।

পিঠ ও কোমরব্যথা থেকে পরিত্রাণের উপায়?

সাধারণ কিছু অভ্যাসের কারনে পিঠ ও কোমরব্যথা হতে পারে। আমাদের হাঁটা-বসা-ঘুম, প্রতিটি ক্ষেত্রে ভুল অভ্যাসের কারনে ও অঙ্গভঙ্গি এবং ব্যবহৃত সামগ্রী থেকেই এসব সমস্যার সৃষ্টি হয়।

নরম বিছানা ও এলোমেলোভাবে ঘুমালে কোমর ও পিঠে ব্যাথা হতে পারে।

wrong-sit-chair-newsasia24

চেয়ারের ডিজাইন অনেক ক্ষেত্রেই এ ব্যথার জন্য দায়ী। চেয়ারের ডিজাইন এমন হতে হবে যেন আপনার পিঠের স্বাভাবিক বাঁকানো ভাব স্বাভাবিক থাকে। পিঠের কোথাও যেন অস্বাভাবিক চাপ দীর্ঘক্ষণ স্থায়ী না হয়।

আরও পড়ুন:

wrong-sleep-mode-newsasia24

আবার ঘুমানোর ক্ষেত্রে, কেউ উপুড়, কেউবা হযবরল অবস্থা করে হাত-পা এলোমেলো রেখে ঘুমান। এটা ঠিক নয়। ঘুমানোরও ক্ষেত্রেও সঠিক অঙ্গভঙ্গি খুবই প্রয়োজন। ডান পাশ হয়ে ঘুমাতে হবে। উপুর হয়ে ঘুমানো মোটেও উচিৎ নয়।

আজ ডেঙ্গুতে আরও সাত জনের মৃত্যু

নিউজ এশিয়া২৪ ডেস্ক: আজ ডেঙ্গুতে আরও সাত জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৭৮৭ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এসময় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৭৮৭ জন। চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৪৮ জনে।

newsasia24

মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মো. জাহিদুল ইসলামের সই করা ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সোমবার (২৯ অক্টোবর) সারাদেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এক হাজার ৭৮৭ জনের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৪১৩ জন।

আরও পড়ুন:

কি?ঢাকার বাইরের এক হাজার ৩৭৪ জন। অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া আটজনের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা একজন, ঢাকার বাইরের ছয়জন।

এই বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন দুই লাখ ৭১ হাজার ১৭৫ জন।

তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৯৯ হাজার ১৬০ জন আর ঢাকার বাইরের এক লাখ ৭২ হাজার ৬ জন।

৬ ধরনের লোক ডালিম থেকে দূরে থাকুন, জেনে নিন কারা?

নিউজ এশিয়া২৪ ডেস্ক: কোন ব্যক্তি অসুস্থ হলে তাঁকে ডালিম বা বেদানা খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। বেদানায় ফাইবার, ভিটামিন কে, সি এবং বি, আয়রন, পটাসিয়াম, জিঙ্ক এবং ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অন্যান্য অনেক পুষ্টিগুণ থাকে।

তবে বেদানায় অনেক গুন থাকলেও সবার জন্য এটি মারাত্বক ক্ষতি হতে পারে। চলুন জেনে নেয়া যাক কাদের এই বেদেনা খাওয়া ঠিক হবে না?

ত্বকের অ্যালার্জি: যাদের ত্বকে অ্যালার্জির সমস্যা আছে তাদের ডালিম খাওয়া উচিত নয়। কারন, ডালিম খেলে শরীরে রক্ত ​​বাড়ে।

Pomegranate-newsasia24-3

বেদানায় এমন কিছু উপাদান আছে যা অ্যালার্জির সমস্যাকে বাড়িয়ে তোলে। এমন পরিস্থিতিতে, আপনার ত্বকে অ্যালার্জি থাকলে, আপনি যদি ডালিম খান, তাহলে আপনার শরীরে লাল গোটা বেরোতে পারে।

নিম্ন রক্তচাপে ভুগলে: যাঁদের রক্তচাপ কম, তাঁদেরও ডালিম খাওয়া উচিত নয়। কারণ বেদানায় একটি শীতল ভাব রয়েছে, যা আমাদের শরীরে রক্ত ​​চলাচলের গতি কমিয়ে দেয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিম্ন রক্তচাপের জন্য ওষুধ গ্রহণকারীরা ডালিম খেলে ক্ষতি হতে পারে। এতে উপস্থিত উপাদানগুলি ওষুধের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া করতে পারে, যা শরীরের ক্ষতি করতে পারে। তবে, যাদের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে, তাদের জন্য বেদেনা আশির্বাদ।

অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকলে: যাঁরা অ্যাসিডিটিতে ভোগেন, তাঁদের ডালিম খাওয়া উচিত নয়। ডালিমের ঠান্ডা প্রভাবে খাবার ঠিকমতো হজম হয় না। যার কারণে পেটে খাবার নষ্ট হতে শুরু করে।

কাশিতে ভুগলে: বেদানা ঠাণ্ডা প্রকৃতির, তাই ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং কাশিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের এটি খাওয়া উচিত নয়। এই ধরনের লোকেরা যদি প্রচুর পরিমাণে ডালিম খান, তবে তাঁদের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।

আরও পড়ুন:

বেদানা সাধারনত ঠান্ডা ফল। তাই সাধারনত গরমকালেই এই ফল খাওয়া হয়। যাদের সর্দি কাশি বা ঠান্ডা লাগার সমস্যা আছে তাদের বেদানা খওয়া উচিত নয়। এর ফলে আরো ঠান্ডা লাগতে পারে। তাদের বেদানার পরিবর্তে গরম কিছু খাওয়া উচিত।

Pomegranate-newsasia24-2

মানসিক রোগে আক্রান্ত: মানসিক রোগে আক্রান্ত যেসব রোগীরা, যারা নিয়মিত মানসিক রোগের জন্য ওষুধ খান তাদের জন্য বেদানা প্রায় বিষের সমান।

কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে: যাঁরা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদেরও ডালিম খাওয়া উচিত নয়।

কারণ বেদানায় একটি শীতল ভাব রয়েছে, যা আমাদের শরীরে রক্ত ​​চলাচলের গতি কমিয়ে দেয়। এবং ঠান্ডা হওয়ার কারনে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হতে পারে।

টিনেজ প্রেগন্যান্সি কি?

নিউজ এশিয়া২৪ ডেস্ক:  কিশোরী বয়সে গর্ভধারণ অনেক ঝুঁকিপূর্ণ।

১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সি কিশোরী যখন গর্ভবতী হয় তখন তাকে টিনেজ প্রেগন্যান্সি বলে।

WHO-এর হিসাব মতে, বিশ্বব্যাপী ১ মিলিয়ন কিশোরী প্রতি বছর বাচ্চা প্রসব করে।

UNICEF-এর মতে, প্রতি ৫ জন শিশুর মধ্যে ১ জন জন্ম নেয় কিশোরী মায়ের গর্ভে।

১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সি কিশোরীরা শারীরিক ও মানসিকভাবে মায়ের দায়িত্ব নিতে পারে না। একজন কিশোরী যখন মা হয় তখন এর প্রভাব পড়ে তারশরীর, আবেগ, সামাজিক জীবনের ওপর।

এর জটিলতা হিসাবে মায়ের উচ্চ রক্তচাপ, সময়ের আগে জন্ম নেওয়া শিশু, অল্প ওজনের শিশু, যৌনরোগ ইত্যাদি দেখা দিতে পারে।

উন্নয়নশীল এবং স্বল্প-আয়ের দেশ গুলোতে ৯৫ শতাংশ কিশোরীর গর্ভধারণ করে ।বাল্যবিবাহ, দারিদ্র্য, অপর্যাপ্ত শিক্ষা ,লিঙ্গ বৈষম্য, গ্রামীণ বাসস্থান, গর্ভনিরোধক কম ব্যবহার করা এবং অপর্যাপ্ত যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য কিশোরী গর্ভধারণে অবদান রাখে।

আরও জানা যায়, উন্নত দেশের জন্য পর্নোগ্রাফি এবং বিবাহপূর্ব যৌন আচরণ কিশোরী গর্ভধারণের বড় কারণ।

আরও পড়ুন:

 

টিনেজ প্রেগন্যান্সি থেকে মুক্তির উপায়:

টিপিপি জাতীয়ভাবে পালন।

পিতামাতা-সন্তান সম্পর্কে, স্কুল, ক্লিনিক এবং বাড়ি-ভিত্তিক শিক্ষার জন্য ভিডিও বা লিখিত উপকরণ বিতরণ।

বিয়ের আগে চাপ ব্যবস্থাপনা আরেকটি যৌন শিক্ষা যা কিশোরিদের টিনেজ প্রেগন্যান্সি থেকে মুক্তি দেয়।

পিতামাতা-সন্তানদের কন্ডম ব্যবহারের কারণ ও উপকার সংক্রান্ত আলোচনা করা।

কিশোরী গর্ভধারণ এবং এসটিআই প্রতিরোধের জন্য যৌনাচার বর্জন শিক্ষা কার্যক্রম হলো সবচেয়ে কার্যকরী এবং স্বাস্থ্য-উন্নয়নকারী উপায়।

যৌন শিক্ষার উদ্যোগটি যুবকদের যৌনবিরত থাকার বিষয়ে সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম করে তোলে, তাদের সম্পর্কের সীমানা এবং চাপ প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করে এবং তাদের গর্ভনিরোধক ব্যবহার এবং যৌন সংক্রামিত রোগ প্রতিরোধ সম্পর্কে অবহিত করে।

কিশোরী গর্ভধারণ প্রতিরোধ একটি সম্মিলিত দায়িত্ব এবং চিন্তা যার দীর্ঘমেয়াদি সমাধান এবং সুস্থ জীবনের জন্য সমাজের প্রতিটি সদস্যের অংশগ্রহণের প্রয়োজন।

কিশোরী গর্ভধারণ প্রতিটি সমাজের একটি প্রধান মহামারি ও জনস্বাস্থ্য সমস্যা। ব্যক্তি, পরিবার এবং সমাজের সবারই জৈবিক, মনস্তাত্ত্বিক এবং সামাজিক উদ্যোগ রয়েছে যা তাদের সমাজের প্রতিক্রিয়াশীল এবং সক্রিয়ভাবে কিশোর গর্ভাবস্থা প্রতিরোধে অবদান রাখে

ডেঙ্গু জ্বরে মোট ১ হাজার ১৪৮ জনের মৃত্যু

লিমা: আজ ডেঙ্গু জ্বরে আরও ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা দাড়ালো ১ হাজার ১৪৮ জনে ।

এছাড়াও নতুন করে হাসপাতালে ১ হাজার ৬৭৩ জন ভর্তি হয়েছেন।

newsasia24

আজ শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

আরও পড়ুন:

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বলা হয়েছে দেশে মোট ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৮ হাজার ২৪৮ জন ।

আরও জানা গেছে, এ বছর ২ লাখ ৩৫ হাজার ২০৪ জন আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ২ লাখ ২৫ হাজার ৮০৮ জন। অপর দিকে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ১৪৮ জন মারা গেছেন।

আবহাওয়ার পরিবর্তন: ঠান্ডা-সর্দি-জ্বর প্রতিরোধের ঘরোয়া উপায়

নিউজ এশিয়া২৪ ডেস্ক: আবহাওয়ার পরিবর্তন হচ্ছে। আর এই সময়ই ঘটে যত বিপত্তি। ঠান্ডা-সর্দি-জ্বর তো লেগেই রয়েছে। কিন্তু একটু সাবধান হলেই এর হাত থেকে বেঁচে যেতে পারেন। এই সময়ে প্রকৃতির সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয়।

দিনের বেলায় রোদের কারণে বেশ গরম লাগলেও সন্ধ্যা হতেই কমতে শুরু করে তাপমাত্রা। গরম-ঠান্ডার এই সময়ের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছে না অনেকের শরীর।

গলা ব্যথা, কাশি, ঠান্ডা লাগা, নাক দিয়ে পানি পড়ার মতো সমস্যা এই ঋতুতেই বেশি হয়।

নাক বন্ধ হওয়া, সর্দি থাকা, গলা ব্যাথা, মাথা ব্যাথা, মাংসপেশীতে ব্যাথা, কাশি, হাঁচি, জ্বর, কানে ও মুখে চাপ অনুভব করা, স্বাদ ও ঘ্রাণের অনুভূতি কমে আসা।

হঠাৎ তাপমাত্রা কমে গেলে আর্দ্রতার পরিমাণও কমে যায়।

ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে নিজেকে সুস্থ ও নিরাপদ রাখা জরুরি।

ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে সর্দি-কাশি হলে তা দূর করার জন্য কিছু ঘরোয়া উপায় জেনে নিন-

১. আবহাওয়ার ধরন বুঝে পোশাক পরুন। গরম পোশাক পরার পর হালকা আরাম বোধ করার সঙ্গে সঙ্গেই আবার খুলে রাখবেন না। তাপমাত্রা বাড়লে তার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সময় দিতে হবে শরীরকে।

২. খুব সকালে কিংবা সন্ধ্যায় জরুরি না হলে বাইরে যাবেন না। এসময় দিনের অন্যান্য সময়ের তুলনায় দূষণের মাত্রা বেশি এবং তাপমাত্রা কম থাকে। আদ্রতার সাথে জ্লীয় বাষ্পের পরিমান বেশী থাকে তাই ঠান্ডা লাগার সম্ভাবনা বেশী থাকে।

৩. পুরো শরীর আবৃত রাখে এবং আপনাকে উষ্ণতা দিতে পারে এমন পোশাক পরুন।

৪. বেশি বেশি তরল খাবার ও ফলমূল খান। এগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করবে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হলে আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় হঠাৎ অসুখে পড়ার ভয় কম থাকে।

আরও পড়ুনঃ

5 Immunity Booster Food: এই ৫ খাবারেই পাবেন শক্তিশালী ইমিউনিটি

ত্বকের মাধ্যমে রোগের লক্ষন নির্নয় করবেন যেভাবে

জীবনকে উন্নতি করার কার্যকরী ৫ টিপস

এ সময়ে অসুখ প্রতিরোধে আরও কিছু পরামর্শ-

১. ভিটামিন সি সমৃদ্ধ কিংবা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে এমন খাবার বেশি বেশি খেতে হবে। সাইট্রাস জাতীয় ফল, ব্রকোলি, আদা, রসুন, সবুজ শাক, দই, বাদাম ও তৈলাক্ত মাছ যোগ করুন খাবারের তালিকায়।

২. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকুন। নিয়মিত হাত ধোওয়ার অভ্যাস করুন। জীবাণু সাধারণত একজনের মাধ্যমে অন্যজনের কাছে ছড়ায়। নিয়মিত হাত পরিষ্কার করলে এই ঝুঁকি অনেকটাই কমে।

৩. সঙ্গে সব সময় টিস্যু রাখুন। কাশি বা সর্দি মোছার জন্য টিস্যু ব্যবহার করুন। ফলে বাতাসের মাধ্যমে জীবাণু ছড়ানোর ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।

এছাড়া ঘরোয়া কিছু খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে আপনি এসব রোগ প্রতিরোধ করতে পারবেন। যেমন-

* গাজরের স্যুপ

গাজরে থাকা ভিটামিন এ সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং শ্বাসযন্ত্রের অসুখ দূরে রাখে। এক বাটি গরম স্যুপ আপনাকে অনেকটাই আরাম দেবে।

গাজরের স্যুপ খেলে তা আপনাকে সর্দি-কাশির সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করবে।

* বেসনের সিরা

sira-of-beson-newsasia24

এটি একটি আয়ুর্বেদিক রেসিপি যা মূলত পাঞ্জাবে তৈরি করা হয়। বেসন, ঘি, দুধ, হলুদ ও গোল মরিচ দিয়ে এটি তৈরি করা হয়।

এটি গলা ও নাকের জন্য প্রশান্তিদায়ক গরম পানীয়।

বিশেষজ্ঞের মতে, গোল মরিচ, আদা, হলুদ এবং এ অন্যান্য উপাদানগুলো শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে।

তাই এই মৌসুমে সর্দি-কাশি থেকে বাঁচতে এই পানীয় পান করতে পারেন।

* হলুদ ও দুধ

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কার্যকরী উপাদান হিসেবে হলুদ সারা বিশ্বেই পরিচিত। এতে থাকা অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল, অ্যান্টি ফাঙ্গাল ও অ্যান্টি ভাইরাল উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন একগ্লাস দুধ ও এক চা চামচ হলুদের গুঁড়া মিশিয়ে খেলে সর্দি-কাশিসহ আরও অনেক অসুখ দূরে থাকে।

* ঘরোয়া কাশির সিরাপ

কাশ হলেই ফার্মেসি থেকে সিরাপ কিনবেন না। আদা, মধু ও লেবুর রস দিয়ে এই ঘরোয়া কাশির সিরাপ তৈরি করুন। এ

ই তিন উপাদানই আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হিসেবে পরিচিত। মধুতে বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল এবং অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল উপাদান রয়েছে।

জার্নাল পেডিয়াট্রিক্সে প্রকাশিত ২০১২ সালের একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, মধু কাশি দূর করতে সাহায্য করে।

ত্বকের মাধ্যমে রোগের লক্ষন নির্নয় করবেন যেভাবে

5 Immunity Booster Food: এই ৫ খাবারেই পাবেন শক্তিশালী ইমিউনিটি

এই সময় ঋতু পরিবর্তন হচ্ছে। তাই সর্দি-কাশি ও জ্বরের প্রভাব বাড়ছে। এই সময় শরীরের যত্ন নেওয়া খুবই জরুরি।

নিউজ এশিয়া২৪ ডেস্ক: এই সময় ঋতু পরিবর্তন হচ্ছে। তাই সর্দি-কাশি ও জ্বরের প্রভাব বাড়ছে। এই সময় শরীরের যত্ন নেওয়া খুবই জরুরি।

ভাইরাসের বিরুদ্ধে শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেভিটামিন সি জাতীয় টকজাতীয় ফল খাওয়া প্রয়োজন। রক্তে শ্বেতকণিকার পরিমাণ বাড়িয়ে দেয় ভিটামিন সি। প্রতিদিন একটি করে টকজাতীয় ফল খেতে পারেন। যেমন কমলালেবু, মুসাম্বি, ন্যাসপাতি। এই ফলগুলিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও থাকে।

tok-doi-newsasia24

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অন্যতম ভূমিকা রাখে টকদই। শুধু তাই নয়, নিয়মিত টকদই খেলে ভালো ঘুম ও হজমশক্তিও বৃদ্ধি পায়।

 

হলুদের ঔষধিগুণ অনেক। শুধু তাই নয়, এটি খুব সহজলভ্যও বটে। পেট ঠাণ্ডা রাখে হলুদ। শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও গড়ে তোলে হলুদ।holud-newsasia24

 

হলুদের মতোই প্রায় প্রত্যেক রান্নাঘরেই রসুন সহজলভ্য। রসুন ছাড়া অনেক পদই রান্না করা সম্ভব নয়। এই রসুনেরই অনেক গুণ রয়েছে। অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল গুণ রয়েছে রসুনের। ভাইরাসের বিরুদ্ধে শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে রসুনের ভূমিকা অপরিহার্য।

শরীর গরম রাখতে চায়ের সঙ্গে অনেকেই আদার রস মিশিয়ে পান করেন। শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে আদা খুবই কার্যকর।

 

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত তিশা

 

Our Facebook: www.facebook.com/newsasia24bd

Our YouTube: www.youtube.com/newsasia24bd

নিপাহ ভাইরাসের বাংলাদেশি ধরনের উপস্থিতি দাবি ভারতের

নিউজ এশিয়া ২৪ ডেস্ক: কেরালায় নিপাহ ভাইরাসের বাংলাদেশি ধরনের উপস্থিতি দাবি করছে ভারত সরকার। কেরালা রাজ্যের কোঝিকোড জেলায় নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দু জন মারা যান।

তারা এই ভাইরাসের বাংলাদেশি ধরনে আক্রান্ত ছিলেন। এই ধরনটি মানুষ থেকে মানুষে ছড়িয়ে পড়ে।

কেরালার স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীনা জর্জ বলেছেন, নিপাহ ভাইরাসের বাংলাদেশি এই ধরনটিতে মৃত্যুর হার অনেক বেশি। তবে আক্রান্তের হার বেশি নয়।

জর্জ নিশ্চিত করেছেন দুই ব্যক্তির যে মৃত্যু হয়েছে, তা নিপাহ ভাইরাসের কারণে হয়েছে।

পিটিআইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কেরালায় নিপাহ ভাইরাসে প্রথম মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে গত ৩০ আগস্ট। আর দ্বিতীয় রোগী মারা গেছেন ১১ সেপ্টেম্বর।

প্রাণঘাতী নিপাহ ভাইরাস মোকাবিলায় কেরালা সরকার কোঝিকোডে একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করেছে। একই সঙ্গে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে জেলার বাসিন্দাদের মাস্ক ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন বলেন, এটি নিয়ে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। কারণ যারা আক্রান্তদের সাথে ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে ছিলেন তারা চিকিৎসাধীন আছেন।

কেরালায় এই নিয়ে চারবার নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। ২০১৮ সালে ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় এই রাজ্যে প্রথম নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়।

ওই সময় নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয় ২৩ জন এবং মারা যান ২১ জন। পরবার্তিতে পুনরায় ২০১৯ ও ২০২১ সালেআরও দুজনের প্রাণ যায় এই ভাইরাসে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই ভাইরাসের সংক্রমণ হলেও এখন পর্যন্ত এর ভ্যাকসিন আবিস্কার হয়নি। এটি বাদুড়, শূকর বা অন্যান্য প্রাণীর সংস্পর্শের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে।

১৯৯৯ সালে মালয়েশিয়া এবং সিঙ্গাপুরে শূকরের ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসা খামারিরা এবং অন্যান্যদের শরীরে প্রথমবারের মতো এই ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়।

আরও পড়ুন: জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে জোটভুক্ত হল আফ্রিকান ইউনিয়ন

নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্তদের তীব্র শ্বাসকষ্ট, এনসেফালাইটিস, জ্বর, মাথা ধরা, পেশির যন্ত্রণা, বমি ভাব হতে পারে।

এই ভাইরাসে আক্রান্তদের মৃত্যুর হার ৪০ থেকে ৭৫ শতাংশ।

এর আগে বাংলাদেশেও খেজুরের রস পানে বাদুড়ের মাধ্যমে এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়েছিল।

সাংবাদিককে ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন মিয়ানমার

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৮ জন নিহত